ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লা লালপুর পৌষাপুকুরপাড় এলাকায় রাইস কুকারে রান্না করতে নিষেধ করায় গালাগাল এবং পরবর্তীতে মারামারির ঘটনায় মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে শান্তি বেগম গংদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে লালপুর পৌষাপুকুর পাড় আলামিনবাগ টোকন গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকার তছলিম পাঠানের ছেলে মো.সাজু পাঠান ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে সাজু পাঠান উল্লেখ করেন যে, লালপুর পৌষাপুকুর পাড় আলামিনবাগ টোকন গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকায় শান্তি বেগম ও সালেহা বেগমে সাথে উল্লেখিত ঠিকানার বাড়ীতে বিগত ৩ মাস ধরিয়া ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করিয়া আসিতেছি। বিবাদীদ্বয় খারাপ ও উশৃঙ্খল পরিবেশের লোক। অদ্য বৃহস্পতিবার ৩০ অক্টোবর দুপুর প্রায় দেড়টায় আমাদের চুলায় গ্যাস না থাকায় কারেন্ট এর সাহায্যে রাইস কুকারে ভাত রান্না করি। এই নিয়া আমি ও আমার স্ত্রী মিষ্টি কথাবার্তা বলার সময় বিবাদীদ্বয় আসিয়া আমাদেরকে রাইস কুকারে ভাত রান্না করিতে নিষেধ করে এবং সঙ্গে সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গলিগালাজ শুরু করে। তখন আমি গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে ১নং বিবাদী আমার শার্টের কলার ধরিয়া অজ্ঞাত নামা আরো ১০/১২ জন বিবাদীদের সংবাদ দিলে তাহারা আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী ভাবে কিল, ঘুষি ও লাথি মারিয়া গুরুত্বর নীলাফোলা জখম করে। এসময় ১নং বিবাদীর হাতে থাকা কাঠের ডাসা দিয়া আমার মাথায় স্বজোরে বাড়ি মারিয়া গুরুত্বর রক্তাক্ত গভির কাটা জখম করে। আমার চিৎকারে আমার স্ত্রী মিষ্টি (২৩) ও ছেলে নুর আলম (৫) আগাইয়া আসিলে বিবাদীদ্বয় সহ অজ্ঞাত নামা বিবাদীরা তাদেরও এলোপাথারী ভাবে পিটাইয়া গুরুত্বর জখম করে। আমাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীদ্বয় হুমকিস্বরূপ বলে যে, বেশি বাড়াবাড়ি করিলে তোদের খুন-জখম করিয়া চিরতরে হত্যা করে লাশ গুম করিয়া ফেলিবে মর্মে হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে আমি ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর জেনারেল হাসপাতালে গিয়া চিকিৎসা প্রহন করি। বিবাদীদের আঘাতের ফলে আমার মাথায় ৬টি সেলাই হয়।




