বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সরেজমিনে তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বস্তা প্রতি সাড়ে ৬ কেজি করে চাল কম দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লেও প্রতিবেদক নিজে বিতরণকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে বস্তা মেপে এবং ভোক্তাদের সাথে কথা বলে এর কোনো ভিত্তি পাননি।
বিতরণকেন্দ্রে সরজমিনে গিয়ে একাধিক চালের বস্তা বাছাই করে ওজন দিয়ে দেখা যায়, কোনো কোনো বস্তায় নির্ধারিত ৩০ কেজির চেয়ে সামান্য ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম কম-বেশি রয়েছে। তবে একে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছেন উপস্থিত উপকারভোগীরা। কয়েক কেজি চাল কম পাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছেন তারা। এ ছাড়া কর্মসূচির কার্ডধারীদের তালিকা ধরে একাধিক ভোক্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারাও সঠিক পরিমানে চাল পাওয়ার কথা জানান এবং বিতরণ কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
চাল সরবরাহের বিষয়ে ‘যমুনা চাউল রাইস এজেন্সি’র মালিক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, বন্দর সিএসডি খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি তদারকিতে উপজেলা ১০ জন ডিলারের কাছে নিয়ম মেনে চাল সরবরাহ করা হয়। সেখানে অনিয়ম করার কোনো সুযোগ নেই এবং এখন পর্যন্ত এমন কোনো অভিযোগ তিনি পাননি।
অন্যদিকে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ডিলার দিদার বলেন, “সামাজিক মাধ্যমে চাল কম দেওয়ার যে কথা রটেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভোক্তারা চাইলে নিজেই মেপে চাল নিতে পারেন। যেকোনো ভোক্তা বা প্রতিনিধি সরাসরি এসে সত্যতা যাচাই করতে পারেন।”
সরেজমিন পরিদর্শন ও তথ্যানুসন্ধানে চাল কম দেওয়ার গুজবের সত্যতা না মিললেও, সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমে নির্ধারিত ওজন পুরোপুরি নিখুঁত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি বজায় রাখা উচিত বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।




