জাগো নারায়ণগঞ্জ
দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসী বাহিনী সিফাত – জুম্মানকে আগে কেন গ্রেফতার করা হয়নি। সিফাত-জুম্মানকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে উল্টো প্রশাসন আরো বিপাকে পড়েন। অভিযান মানেই সিফাত বাহিনীর তান্ডব লীলায় পুলিশ সদস্য আহত হতো। এমনকি পুলিশ সদস্য আহত সহ শর্টগান রেখে দেয়ার নজির রয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর দেশের প্রধানমন্ত্রী,মন্ত্রী, এমপিসহ তারকা ক্যাডাররা দেশ ছেড়ে আত্মাগোপনে যায়। শেখ সিফাত ও জুম্মান বাহিনী নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করতে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। শুরু করে তাদের তান্ডবলীলা। বন্দর উপজেলা এলাকায় শুধু তাদের গ্যাং, কিশোর গ্যাং, ছিনতাইকারী,ডাকাতি, ব্লাকমেইল, মাদকসহ নানা অপরাধ করেও বহাল তবিয়তে। কেউ টু শব্দ করতে সাহস পায়না।
সিফাত – জুম্মান – ব্লাক জুম্মান, বাহিনীর কোন সদস্যকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশ সদস্যরা আহত হয়ে ফেরত আসতে হত। এমনকি পুলিশের সর্টগান রাখার মত নজির ও আছে।
সিফাত থেকে কাটা সিফাত বর্তমানে নেইট দুনিয়ায় পুস্পা সিফাত নামে ভাইরাল।এমন লোমহর্ষক পরিকল্পনা মাফিক কাজ করলেও বড় ভাই সিফাত কাজ কিভাবে করবে তার কলমি নকশার ছকটি সেকেন্ড ইন জুম্মানের হাতে দিয়ে চলে আসতো। বড় ভাই বলে কথা তিনি যেখানে যেত, যাওয়ার আগেই সকলে দাঁড়িয়ে যেত। বড় ভাই কাজের নকশা করে সেকেন্ড ইন জুম্মানের হাতে দিয়ে চলে যেত।
জুম্মান ওরফে হোয়াইট জুম্মান কদম রসুল কলেজ মাঠ এলাকায় মাসুদ মিয়ার বহুতল ভবনে বসবাস করতেন। তবে বাড়ির মালিককে কেন আইনের আওতায় আনা হবে না। বাড়ির মালিক মাসুদ মিয়ার কাছ থেকে বহুতল ভবনে সেন্ডিকেটকার সিফাতকে ব্যবহার জুম্মান ছিল একটা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। জুম্মান ওরফে হোয়াইট জুম্মান সেন্ডিকেট করে ওই বাড়িতে বসবাস করে। বাড়ির মালিককে মাসিক ভাড়া নিতে পারে না। বাড়ির মালিক স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। দখল বা লুট না,যোগ্যতার মাপকাটিত বিশাল। কলেজ মাঠ এলাকার আলী আকবরের ছেলে গভীর জলের মাছ জুম্মান ওরফে হোয়াইট জুম্মান। এলাকায় তিনি সবচেয়ে একজন ভদ্র মানুষ। কবুতর, শাক সবজির চাষসহ এলাকার লোকদের চোঁখে ধুঁলা দিয়ে কোটিপতি বনে গেছেন। আলী আকবর আওয়ামীলীগের দোসর ও শেল্টারদাতা। তার ২ টি অফিস। নবীগঞ্জ ইসলামবাগ এলাকায় ও মাঠ পাড়ায় ছেলের ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে অফিস।
যার ছেলে মাদক শুধু নয়, অপরাধ জগতে তার রয়েছে বিশাল নাম।১১ টি মামলার আসামী হয়ে এলাকার কাউকে বুঝতে দেয়নি বাড়ির মালিক মাসুদের ভুলেই একটা প্রান চলে গেল।




