ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্ট ও কম্পিউটার ট্রেনিং এর নামে কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে ধর্ষনের অভিযোগে ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত বাড়ি থেকে শিক্ষকরুপী নরপশু মো.মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় নরপশুর হেফাজতে থাকা ৩ শিক্ষার্থীকেও উদ্ধার করে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মো.রফিকুল ইসলাম রফিকের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স মোহাম্মদপুরের বাসা হতে মিজানকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী প্রভা সরকারের মা সন্ধ্যা রানী সরকার নরপশু মিজানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং ৪৪।
পাগলা বউবাজার এলাকার শ্যামল চন্দ্র মল্লিকের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী সরকার উল্লেখ করেন যে,তার মেয়ে প্রভা সরকার,সখিনার মেয়ে জান্নাত,সুজন চন্দ্র মালীর মেয়ে মানুষী দাস আরশী,মাসফির ছোটবোন তাসফিয়া পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ শ্রেনীতে পড়ালেখা করে। প্রতি শুক্রবার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সকাল ১০ টা থেকে ১২টা পর্যন্ত আর্ট ও কম্পিউটার ট্রেনিং করানো হতো। গত ৬ জেুর সকাল সাড়ে ৯টায় আমার স্কুলে আর্ট ও কম্পিউটার ট্রেনিং শেষ করে বাড়ি না ফেরার কারনে বিভিন্নস্থানে খোজাখুজি করি। একপর্যায়ে জানতে পারি যে,আমার মেয়ের বান্ধবী সাদিয়া জান্নাতও ট্রেনিং শেষে বাড়ি ফিরে নাই। গত ১১ জুন আমার মেয়ের অপর বান্ধবী মানুষী দাস আরশীও ট্রেনিং শেষে বাড়িতে ফিরে নাই।
পরে জানতে পারি যে, স্কুলের আর্ট ও কম্পিউটার ট্রেনিং শিক্ষক মো.মিজানুর রহমান মিজান আমার মেয়ে তার দুই বান্ধবীকে ফুসলিয়ে অপহরন করে ঢাকার মোহাম্মদপুরে তার ভাড়াকৃত বাড়িতে আটক করে রেখেছে। এবং কাসফিয়াকে আটক করে তার ঢাকার বাসায় মিজান তার সাথে শারীরিক সর্ম্পক করে। মেয়ের বান্ধবী কাসফিয়ার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে ফতুল্লা মডেল থানায় মিজানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে থানা পুলিশ মঙ্গলবার ২৪ জুন সন্ধ্যায় মিজানের ঢাকার বাসা হতে আমার মেয়ে প্রভাসহ তার দুই বান্ধবীকে উদ্ধার করেন এবং মিজানকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করে যে, মিজান গত ১১ জুন হতে ২৩ জুন পর্যন্ত আমার মেয়ে ও তার বান্ধবী সাদিয়া জান্নাতকে ভীতি দেখাইয়া তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষন করে।
এদিকে শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদেরকে নিজ বাড়িতে আটক রেখে ধর্ষনের বিষয়টি জানাজানি হলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।




