ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুরের পশ্চিম ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় মাদক ব্যবসা ও দেহ ব্যবসার প্রতিবাদ করায় বাড়িতে ঢুকে মারধর এবং ব্যাপক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে সেলিমগংদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মো.বদরুদ্দিনের ছেলে মো.হৃদয় আহমেদ ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায় যে, বিবাদীরা স্থানীয় সন্ত্রাসী, কিশোরগ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী, দেহ ব্যবসায়ী ও অসাধু প্রকৃতির লোকজন। ১ ও ৩নং বিবাদী তারা বাসায় মাদক ব্যবসা ও দেহ ব্যবসা করিয়া আমাদের সমাজকে কলঙ্কীত করিয়া আসিতেছে। এই বিষয়ে তাহাদেরকে বাধা দিলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদান করে। তাদের অপরাধে বাধা ও প্রতিবাদ করার কারনে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় মো.সেলিমের নেতৃত্বে একই এলাকার ফকির চানের ছেলে আতাউর,সেলিমের স্ত্রী সাথী বেগম,সেলিমের মেয়ে সিমরা,রেহেনার ছেলে বড় সোহেল,ছোট সোহেল ও শান্তসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন ছুরি, চাকু, চাপাতি সহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-গন্ত্র সহ বেআইনী জনতাবন্ধে দলবদ্ধ হয়ে থানাধীন গেদ্দার বাজার আমাদের উপরোক্ত ঠিকানার বাড়ীতে অনধীকার প্রবেশ করিয়া বাড়ীঘর ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করিয়া প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে। ঘরে থাকা আমার মা মোসাঃ লিপি বেগম (৪০), আমার দাদি মোসা. হামিদা বেগম (৭৫), আমার স্ত্রী মোসাঃ মেহেরুন (২৩) এবং আমার ছোট ভাইয়ের বউ কুমু আক্তার (২৩) কে মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে এবং চারজনের গলায় থাকা চারটি স্বর্ণের চেইন যাহার মোট ওজন ৫ তড়ি যাহার মূল্য অনুমান সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা মুল্যে ৫ ভড়ি স্বর্ন, আলমারীর তালা ভেঙ্গে আলমারীতে থাকা ১০ লক্ষ টাকা মুল্যের চার ভড়ি স্বর্ণালঙ্কার (হাতের কলি), সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা মুল্যের আড়াই ভড়ি ওজনের সিতাহার, ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মুল্যেও ৫টি স্মার্টফোন, ৮০ হাজার টাকা মুল্যের একটি ল্যাপটপ, ১ লক্ষ ৬হাজার টাকা মুল্যের আমার ব্যবহৃত টিভিএস ১০০ সিসি মেট্রো মটর সাইকেল, ভাড়াটিয়াদের ঘর হইতে বাইসাইকেল নগদ-১২ লক্ষ টাকা নিয়া যায়।
আমার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ কওে তান্ডব চালিয়ে যাওয়ার সময় বলে যে, যদি এ বিষয়ে কোন পুলিশী ঝামেলা করি তাহলে আমাকেসহ আমার পরিবারের সদস্যদের যেখানে পাবে সেখানেই খুন-গুম জখম করবে।




