আনোয়ার হোসেন সজিব:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ আলম বলেছেন, আমি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গতিশীল নেতৃত্বের আর তারুণ্যের প্রতীক তারেক রহমানের ডায়নামিক চিন্তা চেতনাকে ধারন করে বিএনপির ঝান্ডা হাতে নিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে নারায়ণগঞ্জ -৪ আসন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগীতা আমার প্রয়োজন। সবার আন্তরিক সহযোগীতা পেলে আমার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছানো সহজ হবে।
ফতুল্লার মানুষ জানে কোনো সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী, ভুমিদস্যুরা বিগত আমার কাছে প্রশ্রয় পায়নি আগামীতেও পাবে না। আমি সমাজের ভাল মানুষদের নিয়ে ভাল কাজ করবো, যার কারনে আমার মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে মনে রাখবে। অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নারায়ণগঞ্জ২৪.কমের সাথে একান্তআলাপ কালে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, রাজনীতি হচ্ছে মানুষের সেবা করা, মানুষের সেবা করার জন্য আমার রাজনীতিতে আসা। মহান আল্লাহ আমাকে যথেষ্ট দিয়েছেন, সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে হবে না। আমি সবাইকে একটা কথাই বলি, যারা মানুষের সেবা করতে চান তারা আমার কাছে আসবেন, যাদের অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন কারা ইচ্ছা আছে তার আমার কাছে আসবেন না। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে আমি ১৬ বছর আমি মাঠে ছিলাম না। যারা এসব কথা বলে তারা হয়তো আমার কাছে তাদের কাঙ্ক্ষিত সুযোগ সুবিধা পায়না। কারন আমি আগেই বলেছি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জুট সন্ত্রাসীকে প্রশ্রয় দেই না।
২০০৮ সালের নির্বাচনে ঢাকা বিভাগে এক মাত্র আমি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ২৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছিলাম কিন্তু তৎকালীন সরকার আমার বিজয় কিভাবে ছিনিয়ে নিয়েছে তা সবাই জানেন। নির্বাচনের পর অনেকের ধারনা ছিল আমি রাজনীতি করবো না। তাদের সে ধারনা মিথ্যা প্রমান করে ফতুল্øা থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে সকল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছিলাম, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ করে প্রমান করেছিলাম শহরের কর্মসূচি ফতুল্লার মানুষ ছাড়া সফল হয়না। দলীয় কর্মসূচি গুলোতে আমার অংশ গ্রহন ছিল। স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে শামিল হওয়া প্রতিটি নেতাকর্মী বিরুদ্ধ রাজনৈতিক মামলাগুলো থেকে নিজ উদ্যোগে জামিনের ব্যবস্থা করেছি। শুধু তাই নয়, সব সময় তাদের পরিবারের খোঁজ খবর রেখেছি। আমাদের পারিবারিক আফিয়া জালাল ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আমার ব্যক্তিগত জান্নাহ ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ফতুল্লা থানার ৫ ইউনিয়নের প্রতিটা এলাকার মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থানের উন্নয়নে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য আমার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তৎকালীন সময়ে ২০ লক্ষ টাকার পন্য সামগ্রী পাঠিয়েছি। এলাকার মানুষের উন্নত চিকিৎসার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সজ্জিত আফিয়া জালাল হাসপাতাল নির্মান করেছি। এলাকার ভাল মানুষ আমার সাথে যোগাযোগ করে আমাকে ভাল কাজের জন্য উৎসাহিত, তারা এমপি হিসেবে আমাকে দেখতে চায়। তাদের অনুপ্রেরণা আর ভালবাসা আমার মুল শক্তি। স্বৈরাচার পতনের পর আমরা আশাবাদী আগামী নির্বাচন হবে জনগনের ভোটের নির্বাচন। এই নির্বাচনে জনগন তাদের মুল্যবান পছন্দের প্রার্থীকে দিতে পারবে।
আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দলের প্রতি অনুগত। দলীয় প্রধান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারুন্যের প্রতীক তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রাথমিক সংকেত পেয়েছি, তারা নির্বাচনের মাঠ গোছাতে বলেছেন। আমি সে লক্ষ্যে কাজ করছি, মহান আল্লাহ চাইলে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নারায়ণগঞ্জ -৪ আসনে নির্বাচন করবো ইনশাআল্লাহ।




