ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফেসবুকে ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সক্রিয় করে তাদের দিয়ে ঢাকায় ঝটিকা মিছিল বের করার নেপথ্যে নায়ক হিসেবে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন ফতুল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ আরিফ। এমনটাই চাউর হয়েছে পুরো ফতুল্লাজুড়ে। রবিবার ২৪ আগষ্ট ঢাকার সেই ঝটিকা মিছিলের পর ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং আড়াই শতাধিক অজ্ঞাতনামা আসামী করে ঢাকার পল্টন থানায় একটি মামলাও হয়েছে। সেই মামলায় বন্দরের খান মাসুদের কর্মী রাজু ওরফে ষ্টান্ড রাজু এবং কুতুবপুরের মীর হোসেন মিরুর এক কর্মী সাঈদ শেখকে গ্রেফতার করেছে পল্টন থানা পুলিশ।
ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায় যে, কুতুবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক মীর হোসেন মিরু এবং ফতুল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ আরিফের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ফেসবুকে ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের বন্দর,ফতুল্লা ও কুতুবপুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আওয়ামী দোসররা একে অপরের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে সার্বক্ষনিকভাবে। ঢাকার পল্টনে সেদিনের মিছিলের বিষয়ে মীরু,আরিফ ও খান মাসুদের সাথে যোগাযোগ করেই তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে শতাধিত নেতাকর্মীকে ঢাকায় নিয়ে যায়। সেই ঘটনায় যে মামলা হয়েছে এবং মামলার এজাহারনামীয় আসামীরা কিন্তু সবাই নারায়ণগঞ্জের। তবে কুতুবপুরে মিরু সমর্থকদের সংখ্যা বেশী বলে জানা যায়। এদের মধ্যে কুতুবপুরের সাঈদ শেখ, নাঈম শেখ,ইভানসহ আরো অনেকে রয়েছে।
তবে একাধিক সুত্রে জানা যায় যে,কুতুবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক এবং ফতুল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ আরিফের তৈরী ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে সার্বক্ষনিক সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন হারুন অর রশিদ আরিফ নিজে এবং ফতুল্লার সামসুল হক আরজু,আলামিন হোসেন আলভি,মো.উপল,নাজমুল হাসান,ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য ইমরান হোসেন শুভ,সোহাগ,রাব্বি দেওয়ান, নাঈম প্রকাশসহ শতাধিক আওয়ামী দোসর। তারা প্রতিদিন যার যার স্থানে অবস্থান করেই উক্ত ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করেই নারায়ণগঞ্জসহ রাজধানীর আশপাশে ঝটিকা মিছিলসহ নানাবিধ অরাজকতামুলক কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মীর হোসেন মিরু,হারুন অর রশিদ আরিফ এবং খান মাসুদগংরা নিজেদেরকে আবারও আগের স্থানে নিতে শামীম ওসমানের পরামর্শেই এরুপ অরাজকতায় লিপ্ত হয়েছে বলে একাধিক সুত্রে জানা যায়। তবে ঢাকার পল্টনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বেশীরভাগ ফতুল্লা,পাগলা এবং বন্দরে অবস্থান করছেন বলে জানা যায় এবং তারা সবাই নিজেদেও অবস্থানে থেকে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে আছে।
তবে সাধারন মানুষের অভিমত যে,ফতুল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ আরিফকে গ্রেফতার করতে পারলেই এ ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ এবং তাদেও সদস্য ও তাদেও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত অনেক অজানা তথ্য জানতে পারবে আইন-শৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা।




