ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার দক্ষিণ লক্ষণখোলা এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু সোহেল মিয়া গং কর্তৃক মোসাঃ ফরিদা বেগমের জমি দখল করে ভবন নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানাধীন কাইয়ুমপুর এলাকার মোহাম্মদ মান্নান সাউদের স্ত্রী জমির মালিক ফরিদা বেগম বাদী হয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পিটিশন মামলা নম্বর -৫২৭/২৫ দায়ের করেছেন।
তাতে ফরিদা বেগম উল্লেখ করেন দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকার মৃত আমজাদ হোসেনের পুত্র মোঃ সোহেল মিয়া, মৃত আফজাল মিয়া কন্যা সুফিয়া বেগম ও রাহিমা বেগম, মোঃ সোহেল মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ আরফাত সাউদ, ও মোহাম্মদ কাউসার সাউদ জোরপূর্বক দখল করে জমিতে স্থাপনা নির্মান করছে।
জমিতে গেলে প্রাণে মেরে ফেলার অভিযোগ করেছেন বাদী ফরিদা বেগম।
মামলায় ফরিদা বেগুন উল্লেখ করেন, তিনি একজন সহজ, সরল, শান্তিপ্রিয়, আইমান্যকারী এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল লোক।
অপরদিকে বিবাদীগন দালাল, চাঁদাবাজ, পরবৃত্ত লোভী, হারমাইদ, আইন বঙ্গকারী, অন্যের সম্পদ লুণ্ঠনকারী প্রকৃতির লোক।
এদের ভয়ে এলাকার কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। এমন কি আদালতের নির্দেশকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ।
মান্নান সাউদ তার প্রাপ্ত ১০শতাংশ জমি হইতে বন্দর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ১১/৬/২০১৯ তারিখ রেজিস্ট্রিকৃত ৪০৫৯ নং হেবার ঘোষণাপত্র দলিল মূলে ৩ শতাংশ জমি স্ত্রী ফরিদা বেগমের নামে এবং একই তারিখে রেস্ট্রিকৃত ৪০৬০ নং ঘোষণাপত্র দলিল মূলে ৩ শতাংশ জমি তার পুত্র মোহাম্মদ রাহাদ এর বরাবর হস্তান্তর করিয়া দখল বুঝাইয়া দিয়া চিরতরে নিঃস্বত্ববান হন।
উক্ত ছয় শতাংশ জমি নামজারি সহ ডি সি আর গ্রহণ করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করে ভোগদখল করে আছেন।
ফরিদা বেগম জানান,আমার জমির উপর কুদৃষ্টি পড়ে সোহেল মিয়ার।সন্ত্রাসী ভাড়া করে জোরপূর্বক নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসলেও বন্দর থানা পুলিশ কোন ভূমিকা পালন করেনি।
এ ব্যাপারে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই খায়রুল ইসলাম জানান,আমি ঘটনা স্থলে ৫ বার গিয়েছি। কোন কথাই শুনেনা।
উক্ত ভূমিদস্যু গংদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে সেনাবাহিনী সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবী জানান ভূক্তভোগী ফরিদা বেগম।




