নারায়ণগঞ্জে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতীক বরাদ্দের দিনই প্রকাশ্য প্রচারণায় নেমে পড়ায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের চিত্র দেখা গেছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ের প্রচার–প্রচারণা শুরু হওয়ার কথা আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে। অথচ তার আগের দিনই প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রকাশ্যে মিছিল, স্লোগান এবং প্রতীক প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোট চাইতে দেখা গেছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অবস্থিত রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠিত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, আজ সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং তাঁদের কর্মী–সমর্থকদের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ সরগরম হয়ে ওঠে। প্রতীক বরাদ্দ শেষে নিজ নিজ প্রতীক হাতে পেয়ে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস। অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে স্লোগানে মুখর হন, কেউ কেউ মিছিল বের করেন। প্রকাশ্যে প্রতীক প্রদর্শন করে ভোট চাওয়ার ঘটনাও চোখে পড়ে।
এ ক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থীদের প্রচারণায় অগ্রণী ভূমিকা নিতে দেখা যায়।
বিশেষ করে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা ধানের শীষ প্রদর্শন করে মিছিল করেন। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীরাও হাতপাখা উঁচিয়ে স্লোগান দেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আলীকে নিজ সংসদীয় এলাকায় হাতি মার্কার পক্ষে মাইকিং করতে দেখা গেছে।
একইভাবে এই আসনের বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমীর সমর্থকরা খেজুরগাছের প্রতীক নিয়ে স্লোগান দেয়।
নির্বাচনী প্রতীক পাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের মাঠ পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ের আগে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালানো নির্বাচন আচরণবিধির স্পষ্ট পরিপন্থী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তফসিল অনুযায়ী প্রচারণা শুরুর আগেই এমন দৃশ্য নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও নজরদারির প্রশ্ন সামনে আনছে।




