নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামানকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি ছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কামরুজ্জামান বারবার দল পরিবর্তন করে নিজেকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখার চেষ্টা করেছেন। অতীতে তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন এবং জামপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সারের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন,সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও চাপের মুখে ফেলার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গে কামরুজ্জামানের রাজনৈতিক অবস্থান বদলে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাতারাতি ভোল পাল্টে বিএনপিতে ভিড়বার চেষ্টা করেন এবং নিজেকে দলের একজন নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। তবে বিএনপির তৃণমূল কর্মীদের একটি বড় অংশের দাবি, অতীতে যারা দলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন, এখন তারাই অনুপ্রবেশকারী হিসেবে দলে ঢুকে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
গ্রেপ্তার হওয়ার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করার ধারা তিনি এখনো অব্যাহত রেখেছেন।
এলাকাবাসীর জোরালো দাবি, এই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। তারা আশা করছেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উন্মোচন করবে এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।




