ষ্টাফ রিপোর্টার:
“ কয়লা ধুলে ময়লা যায়না” চিরন্তন এ সত্য বাক্যটি যেন প্রতিটি মাদক বিক্রেতার জন্য শতভাগ প্রযোজ্য। আর এ শব্দটি যেন ফতুল্লা মডেল থানাধীন দেওভোগ বাশমূলি এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাট দুইটি হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামী রাসেল ওরফে বিয়াস্তা রাসেল ও তার বাহিনীর সদস্যরা মেনে নিয়েছে আন্তরিকতার সাথে। একাধিকবার মাদকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থার কাছে গ্রেফতার হয়ে জেল খাটলেও তা যেন আমলে নিচ্ছেনা বাঁশমুলি এলাকার অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী রাসেল ওরফে বিয়াইস্তা রাসেল।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্যমতে, নিজাম ড্রাইভারের ছেলে রাসেল ৫ ই আগস্টের পর থেকে দেওভোগ এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজার ওপেন স্পট পরিচালনা করে আসছিলো। আর পুলিশী তৎপরতা না থাকার ফলে অত্যাধিক বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলো রাসেল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছে দেশি ও বিদেশী একাধিক অস্ত্রের ভান্ডার রয়েছে গোপন সূত্রে জানা যায়।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্যেছ জানা যায় যে, ২০২৩ সালে দেওভোগ এলাকার যুবলীগে নেতা আফজালকে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে হত্যা করে রাজু প্রধানসহ তার বাহিনীর অন্যতম সদস্য রাসেলগং। সেই হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি রাসেল দেওভোগ এলাকায় প্রকাশে মাদক স্পট খুলে ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাজা বিক্রি করাতো। মাদক সম্রাট রাসেল দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো। গত বছরের আগষ্ট মাসে যৌথবাহিনীর হাতে মাদকসহ আটকের পর কয়েকদিন জেল খেটে পুনরায় জামিনে এসে আগের রুপেই মাদক ব্যবসা শুরু করেছে। স্থানীয় নেতা পাতি বিএনপি নেতাদের শেল্টারে বর্তমানে দুর্দান্ত গতিতে চালাচ্ছে এ মাদক ব্যবসা। থানা পুলিশের টহল ব্যবস্থা না থাকার ফলে দিবা-রাত্র মাদকের হাট বসিয়েছে এ বিয়াইস্তা রাসেল তার বাহিনী। আর বিয়াইস্তা রাসেল বাহিনীর বিক্রিত মাদক সেবনের ফলে এবং মাদকের টাকা সংগ্রহ করতে গিয়ে পুরো এলাকা জুড়েই বেড়েছে অপরাধ প্রবনতা। চুরি,ছিনতাই,ডাকাতিসহ নানা প্রকার অপরাধে যুক্ত হচ্ছে মাদক সেবনকারীরা। অপরদিকে সেখানে বসবাসকারী প্রতিটি অভিভাবকরা পড়েছেন দু:শ্চিন্তায় তার ভবিষ্যত ছেলে-মেয়েদের নিয়ে। বিপাকে পড়েছেন বাড়ির মালিকরা কারন তাদের বাড়ির নিচে কিংবা আশপাশে প্রকাশ্যেই মাদক বিক্রি করাচ্ছেন বিয়াইস্তা রাসেল ও তার বাহিনীর সদস্যরা।
এলাকার শান্তি-শৃংখলা রক্ষা এবং যুবসমাজকে রক্ষায় স্থানীয়দের দাবী, শুধু রাসেল নয় তার বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে গ্রেফতারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রাখা হোক।




