ষ্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শাখাওয়াত রানা বাহিনীর চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ীরা।
প্রতিদিন দোকান থেকে সর্বনিম্ন ২০০টাকা ও সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, ক্রসফায়ারে নিহত মমিনউল্লা ডেবিডের বড় বোনের পুত্র নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শাখাওয়াত হোসেন রানার নেতৃত্বে তার চাঁদাবাজ বাহিনী প্রতিটি দোকান থেকে ২০০/৩০০ টাকা করে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করছে।
এছাড়াও নতুন দোকান বসানোর জন্য সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করছে বলে জানা যায়।
শহীদ মিনারে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ব্যস্ততার মাঝেও সামান্য প্রশান্তি লাভের জন্য এসে থাকে।
তারা দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করে পার্শ্ববতী দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ক্রয় করে থাকে।
এর মধ্যে চায়ের দোকান, ফুচকার দোকান,কেকের দোকান ফাস্ট ফুডের দোকান থেকে তারা বিভিন্ন পণ্য করে করে থাকে।
এসব দোকান থেকে চাঁদা তুলে থাকে পাপ্পু, মোস্তফা, কাশেম। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তার দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়। প্রতি মাসে শহীদ মিনার প্রাঙ্গন মাসে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা আদায় করছে রানা বাহিনী।
এদিকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শাখাওয়াত রানার বিরুদ্ধে বিএনপি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে।
কেননা রানা বাহিনীর রয়েছে বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বাহিনী দিয়ে নির্যাতন সহ হত্যা মূলক কণ্ডকাণ্ড সংগঠিত করে থাকে।
যা ইসদাইরে শুভ নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছিল রানা ও তার বাহিনী।
সে মামলায় রানাকে আটক করা দুরের কথা টিকিটি পর্যন্ত ছুঁইতে পারেনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
বিএনপির নেতারা মুখে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সম্পর্কে কথা বললেও মনের ভিতর সেসব কর্মকাণ্ড বেশী লালন করে থাকে। চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন হতে প্রায় ৫০ টি অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের চাঁদাবাজ শাখাওয়াত রানা বাহিনীর হাত থেকে বাঁচাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবী জানান সচেতন মহল।
এ ব্যাপারে শাখাওয়াত রানার মুঠোফোন নাম্বার ০১৯৭৩৩৬৪০@@/০১৭১৩১৭৮৩@@ একাধিক বার ফোন করা হলেও রিসিভ করেননি।



