ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার চাষাঢ়া এলাকায় শুভ চন্দ্র দাস (৩০) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑনারায়ণগঞ্জ সদর থানার আমলাপাড়া মাদ্রাসাপাড়া এলাকার কালু মিয়ার ছেলে মো. সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন (৪৫), আমলাপাড়ার ২১ নম্বর কেবি সাহা বাইলেন এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সিয়াম আহমেদ সিজান (২১) এবং একই এলাকার মৃত সমর্চান সরদারের ছেলে মো. সোহান (২৪)।
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, অনিক ও সুমন শুভকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের বিনিময়ে শুভর সহযোগী সোহানকে দিয়ে তাঁকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়।
পরে অনিক ও অহিদের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল শুভর ওপর হামলা চালায়। এ সময় অনিক ও অহিদ শুভকে গুলি করেন এবং অন্যরা ছুরি দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুভকে হত্যায় ব্যবহৃত কোনো অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। তবে আসামিদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারে অভিযান চলছে।
এর আগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে হকার্স মার্কেটের পেছনে দুর্গামলের সামনে সড়ক থেকে শুভ চন্দ্র দাসের গুলিবিদ্ধ ও ছুরিকাঘাতে জখম লাশ উদ্ধার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। তিনি গলাচিপা এলাকার হরি চন্দ্র দাসের ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসিনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে ডিবি।




