প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা সচেতন মহলের
নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজনীতি বা জমিদার পথার ৩ যুগ বা ৩ পুরুষের পথেই শেষ অবস্থায় ইতি টানে। যা রেওয়াজ অনুসরণ করলেও মাদক সম্রাট পরিবারের ৩ যুগ বা ৩ পুরুষে এসে যেন হাইটেক পোর্ফাইলে অবস্থান করছে। সেই হাইটেক পোর্ফাইল পরিবারের রমজান, বাবু, রিপন ও শুক্করের ঝালে নীরব ভূমিকা প্রশাসন ও স্থানীয় সমাজপতিদের। হাইটেক পোর্ফাইল পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বন্দর থানা পুলিশের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানি জেলেপাড়া এলাকাটি মাদকের স্বর্গরাজ্য হিসেবে গড়ে তুলেছে চিহ্নিত একটি মাদক পরিবার। ভয়াল এ পরিবারটি হচ্ছে হাবিবুর রহমান হবি গং। প্রায় ৩ যুগ ধরে এ পরিবারটি বংশ পরমপরায় তাদের ব্যবসার আধিপত্য ধরে রেখেছে। বন্দর থানা পুলিশের তৎপরতার অভাবে এলাকার কতিপয় উচ্ছশৃঙ্খল তরুন ও যুবক হবি গংয়ের নিষিদ্ধ এ ব্যবসা জিইয়ে রেখেছে। এক সময় এই এলাকার মাদকের আখড়া চালাতো মাদক সম্রাট হাবিবুর রহমান হবি ও তার স্ত্রী রোকেয়া দীর্ঘ দিন এলাকায় মাদকের রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছিল। বিগত প্রায় ২৩ বছর আগে মাদক পাচার করতে গিয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশী হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে। বর্তমানে পিতা-মাতার ব্যবসা ধারবাহিকভাবে ধরে রেখেছে তাদেরই কুপুত্র রমজান, রিপন, শুক্কুর ( বর্তমানে জেল হাজতে) ,বাবু । হবি পুত্রদের এসব ব্যবসার পুরোপুরি শেল্টার দেন ৫ আগষ্টের পলাতক সন্ত্রাসী আজমীর ওসমানের অন্যতম সহযোগী মনির সরদার ওরফে টাউট মনির। মনির সরদার মূলতঃ রাকিব, আবুল, আরমান, দয়াল,রাজন ও কাশেমসহ ৩০জনের একটি সংঘবদ্ধ দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। এই ৩০জন মাধ্যমে ৩ বেলার খাবারসহ প্রতিদিন জনপ্রতি ১হাজার টাকা করে বেতন দেয়া হয়। এদের অবাধ মাদক বানিজ্যের কারণে একরামপুর ইস্পাহানিসহ তার আশপাশের এলাকাগুলো অপরাধের আখড়ায় পরিণত হয়ে উঠেছে। এ কারণে এলাকাগুলো প্রতিনিয়তই চুরি,ছিনতাই ও রাহাজানিসহ নানা প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে। ভয়ানক হবি বাহিনীর কবল থেকে মুক্তিসহ যুব সমাজ রক্ষার স্বার্থে বন্দর থানা প্রশাসন, র্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সচেতন মহল।
পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ব্যবসাকে চালিয়ে সেই রমজান স্ব-আরোপিত মাদক সম্রাট। রমজানের মাদক ব্যবসার কাছে স্থানীয় সমাজপতি, রাজনৈতিক কতিপয় নেতা ও প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যময়। বন্দর ফাঁড়ি পুলিশের সবচেয়ে সন্নিকটে ইস্পাহানি জেলেপাড়া। যেখানে ফাঁড়ি পুলিশের টহল প্রতিদিন থাকলেও মাসোহারা পাওয়ার একটি অভিযোগের তীর রয়েছে। এতে থানা পুলিশের পরিদর্শকের উপর অপবাদের বোঝা বদরায়। আর ঈদ উপলক্ষে মাদক সম্রাট রমজানসহ তার পরিবারের সদস্যদের থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রশাসনের উপর থেকে বদনামের বোঝা অপসারণের জন্য কঠোর ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।




