নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রথম স্ত্রীকে গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে এবং দুই মাসের শিশু সন্তানের চিকিৎসার খরচ চাওয়ায় স্ত্রী তাহামিনা রহমান মীমকে (২৭) অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্বামী মোঃ হাসানসহ (৩২) মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্ত্রী ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন, নন্দলালপুর মাদ্রাসা রোড এলাকার মৃত নুরুল হকের ছেলে লিটন (৪৫) ও রিপন (৪০), শিল্পী (৪২) ও ডলি (৩৮) আলম (৪৫)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ বছর আগে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকার কাজী আব্দুর রহমানের মেয়ে তাহামিনা রহমান মীমের সাথে নন্দলালপুর এলাকার মোঃ হাসানের সাথে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে আহসান ইসলাম রিদোয়ান নামে দুই মাসের একটি শিশু সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই ২ থেকে ৬ নং বিবাদীদের ইন্দন ও কুপরামর্শে স্বামী হাসান স্ত্রী মীমের ওপর কারণে–অকারণে নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি পরিবার ও সন্তানের কোনো খরচ বহন করতেন না।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, স্ত্রী মীমের অজান্তে স্বামী হাসান পরকীয়ায় লিপ্ত হন এবং গত ১৫ আগস্ট অন্যান্য বিবাদীদের সহযোগিতায় গোপন প্রেমিকাকে দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘরে তোলেন। বিষয়টির প্রতিবাদ করায় এবং পরবর্তীতে গত ১৯ আগস্ট বিকালে দুই মাসের অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসার খরচ চাইলে ১নং বিবাদী মোঃ হাসান ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। মীমকে তালাক দেওয়ার হুমকি এবং এ নিয়ে বাড়াবাড়ি বা আইনগত পদক্ষেপ নিলে তাকে হত্যা ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ভুক্তভোগী মীম ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।




