ষ্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার সস্তাপুরে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সদস্য মজিবর রহমান ও তার ছোট ভাই ফতুল্লা থানা প্রজন্ম লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেনের নির্দেশে বাড়ি দখল করে আছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রভাব বিস্তার করে উক্ত স্কুল শিক্ষিকার বাড়ি করে মজিবর ও জুয়েল গং।
মোসাঃ আঞ্জুমান আরা বেগম (৮০), পতি মৃত মোঃ খলিলুর রহমান ভূইয়া (সাবেক স্কুল শিক্ষক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, সস্তাপুর কমর আলী স্কুলের দক্ষিন পাশে ফতুল্লা মৌজায় ০৫ শতাংশ জমি নিজের শ্রমের টাকা দিয়া ক্রয় করে উক্ত জমির উপর টিনসেড বাড়ী নির্মান করে দীর্ঘ দিন যাবত বসবাস করে আসিতেছি। পরবর্তীতে আমার উক্ত বাড়ীতে বিবাদী (১) মোঃ জুয়েল- (২) মোঃ মজিবুর রহমান- (সকলেই আওয়ামী লীগের আমলীয় কুখ্যাত সন্ত্রাসী ভূমিদস্যু), উভয় পিতা-লালচান মিয়া, (৩) জসিম মিয়া পিতা আবুতালেব, (৪) ইমন-পিতা-জসিম মিয়া, বিবাদীগনের মধ্যে ১নং বিবাদী জুয়েল আমার বাড়িটি ভাড়া নিয়ে জুয়েলের কোয়ারটেকার ৩নং বিবাদী জসিমকে এই বাড়িতে থাকার জন্য বলে। বিগত আওয়ামীলীগের আমল থেকেই এই বিবাদীগন আমার বাড়ী ভাড়া নিয়া আমার সরলতার সুযোগ নিয়া আমার বাড়ী দখল করার পায়তারা করিয়া আসিতেছে। আমি তাহাদেরকে আমার বাড়ি ছাড়িয়া দিতে বলেছি। কিন্তু বিবাদীরা আমাকে বলে যে, আমাদেরকে ২০,০০,০০০/-(বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দিলে আমরা বাড়ি ছাড়িয়া দিব। বিবাদী জুয়েল রাতের আধারে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমার বাড়ির আরও ১০টি ভাড়াটিয়াকে বাড়ি হইতে বের করে দেয়। বিবাদীরা আমার এই বাড়ি দখলের চেষ্টা করিতেছে। অমি একজন বয়স্ক মহিলা। আমরা বিবাদীদের ভয়ে কোন ভাবেই এই ভূমি দস্যু ভাড়াটিয়া জুয়েলকে উচ্ছেদ করিতে পারতেছি না। এমতাবস্থায় আইনী ভাবে প্রশাসনিক লোক ছাড়া এই বাড়ির ভাড়াটিয়া ভূমিদস্যুকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়।
উপরোক্ত বিষয়াদি বিবেচনা করে উল্লেখিত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ভূমি দস্যুদেরকে আমার বাড়ি হইতে উচ্ছেদের ব্যবস্থা করিয়া দখল মুক্ত করতে অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




