ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জে সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপার মো.হাবিবুর রহমানের নির্দেশে ও নেতৃত্বে পুরো জেলা জুড়েই চলছে মাদক বিরোধী অভিযান। আর এ অভিযানে প্রতিদিন জেলার তথা ফতুল্লা থানাধীন এলাকায় একাধিক মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবী গ্রেফতার হচ্ছে। এ মাদক বিরোধী অভিযানের মধ্যে মাসদাইর অক্টো অফিস পিলখানা কলোনীর আশপাশে নির্বিগ্নে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বাবুলের ছেলে সম্রাট,আলমের ছেলে টুটুল, জামানের ভাগ্নে বাবু ও সিরাজ কসাইয়ের ছেলে শান্তগং।
পিলকুনি ও আশপাশ এলাকার বাসিন্দারা জানান,প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে বাবুলের ছেলে সম্রাট বাহিনীর এ মাদক ব্যবসা। মরননেশা গাজাঁ ও ইয়াবার বিশাল হাট বসিয়েছে তারা। অত্র এলাকায় পুলিশের আনাগোনা কম থাকার সুবাদে নির্বিগ্নে তারা এ মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। নিজ পরিবারের কথা চিন্তা করে কেউ বাবুলের ছেলে সম্রাট,আলমের ছেলে টুটুল, জামানের ভাগ্নে বাবু ও সিরাজ কসাইয়ের ছেলে শান্তগংদের কিছু বলতে সাহস পায়না। অথচ পিলকুনি পাশেই অবস্থিত সরকারী তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাস,একটি ইংলিশ স্কুল ও ওসমানী পৌর ষ্টেডিয়াম। এবং রাস্তার উল্টো পাশেই রয়েছে এরিবস স্কুল ও একাধিক কোচিং সেন্টার।
স্থানীয়রা আরো জানান, এলাকাটি অত্যন্ত নিরিবিলি হওয়ার সুবাদে দীর্ঘদিন যাবত এখানে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বাবুলের ছেলে সম্রাট,আলমের ছেলে টুটুল, জামানের ভাগ্নে বাবু ও সিরাজ কসাইয়ের ছেলে শান্তগং। আর ইসদাইরসহ দুর-দুরান্ত থেকে মাদক সেবীরা এখানে মাদক ক্রয় করতে আসে। তাছাড়া বর্তমানে চাষাড়া রেলষ্টেশন ও ইসদাইর বাজার এলাকায় পুলিশের নিয়মিত অভিযানের কারনে সেখানে মাদক কারবার অনেকটা বন্ধ থাকার ফলে বাবুলের ছেলে সম্রাট,আলমের ছেলে টুটুল, জামানের ভাগ্নে বাবু ও সিরাজ কসাইয়ের ছেলে শান্তগংদের মাদক স্পটে মাদকের ক্রেতাদের অনেকটা ভীড় লেগে থাকে।
স্থানীয়দের দাবী,নিজেদের পরিবার ও সন্তানকে বাচার জন্য এবং যুবসমাজকে রক্ষায় বাবুলের ছেলে সম্রাট,আলমের ছেলে টুটুল, জামানের ভাগ্নে বাবু ও সিরাজ কসাইয়ের ছেলে শান্তগংদের মাদক স্পটটি উচ্ছেদ এবং তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতারে জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপারের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।




