ষ্টাফ রিপোর্টার:
আদালতে মামলার রায় নিজ পক্ষে থাকলেও চলাচলের রাস্তা, বিদ্যুত,গ্যাস ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার অভিযোগে দক্ষিন ধনকুন্ডা এলাকার মৃত.জীবন আলী পাইকের ছেলে আবদুল বাসেদ পাইকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল বাগপাড়া এলাকার মৃত.আবদুল কাদিরের ছেলে মো: মামুন। যার নং ১৬৩৯৩ ও আর ৭২৭ ভি।
লিখিত অভিযোগে মো.মামুন উল্লেখ করেন যে, মৌজাঃ ধনকুন্ডাস্থিত, জে.এল নম্বরঃ- সি. এস. ২০৩ নং এস.এ ১৭ নং আর, এস. ৩৭নং। খতিয়ান নম্বরঃ- সি. এস. ৩৬ নং, এস, এ-৭৬ নং, আর, এস-৪৭নং খতিয়ান ভুক্ত। খালে আর, এস, রেকর্ড মোতাবেক নামজারী খতিয়ান নম্বরঃ-৫৭৫ নং যাহার জোত-৫৭৪ নং বটে। দাগ নম্বরঃ সিএস ও এসএ-১২০, আরএস-১৮২নং দাগে আরএস মোতাবেক মোট নাল জমি মং ২৭ শতাংশের কাতে ১০ শতাংশ ইহার কাতে ০৪ ফুট উত্তর-দক্ষিণে এজমালী চলাচলের রাস্তা ছাড়া মোট- ০৩ শতাংশ ভুমি উক্ত বিবাদী নিম্ন তপছিল বর্ণিত ভূমি বিগত ২০২০ সালের ২০ জুলাই ৩৫৩৬নং সাফকবলা দলিলমূলে ০৪ফুট রাস্তাসহ (এজমালী রাঙা চলাচলের জন্য) আমার কাছে বিক্রয় করেন। অতঃপর একই বছরের ১১ ডিসেম্বরে উক্ত এজমালী চলাচলের রাস্তার বিষয়ে উক্ত বিবাদী ৩০০/-টাকার স্ট্যাম্পে আমাকে আরো একটি শর্তামোতাবেক অঙ্গিকারনামা দলিল করে দেন। উক্ত বিবাদী এ যাবত করা সকল অঙ্গীকার ভঙ্গ করিয়া অর্থের লোভে বিগত ২০২৪ সালের ২৩ জানুয়ারী প্রতিবেশি মোঃ আজিজুল হক নামের ব্যাক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আমাকে অবগত না করিয়া আমাদের দখলীয় এজমালী অত্র চলাচলের রাস্তাটির বিষয়ে উপরোক্ত ব্যক্তির বরাবর আরেকটি অঙ্গিকার করে দেয়। এ বিষয়ে আমি অবগত হয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে উক্ত বিবাদী আমার সাথে করা বিগত দিনের সকল অঙ্গীকার ভঙ্গ করিয়া বিগত ২০২৪ সালের ৩১ মে তারিখের একটি মিথ্যে ঘটনা সাজিয়ে নারায়ণগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪৫৭/২৪ নং ১৪৫ ধারা মোতাবেক একটি মামলা দায়ের করিলে তা একই বছরের ১০ ডিসেম্বর মাননীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আমার পক্ষে আদেশ প্রদান করেন এবং স্থানীয় থানায়, স্থানীয় ভূমি অফিস সত্য ঘটনা উৎঘাটন করিয়া উক্ত বিবাদীর সকল ঘটনা মিথ্যে প্রমানীত করে আমার পক্ষে রায় প্রদান করেন।
উল্লেখ থাকে যে, উক্ত বিবাদীর বিরুদ্ধে ইতীপূর্বে একটি নারী নির্যাতনের মামলাও ছিল। ২২ অক্টোবর শুক্রবার বিবাদী অত্র চলাচলের রাস্তায় আমাকে কাজ করতে বাধা প্রদান করে রাস্তার সকল কাজ বন্ধ করে দেয় এবং যদি কাজ করি তাহলে ৫ লক্ষ টাকা তাকে চাঁদা দিতে হবে বলে আমাকে হুমকি প্রদান করে। এতো কিছুর পরও উক্ত বিবাদী সকল আইন আদালত, থানা, ভূমিঅফিস সহ সকল কিছু অমান্য করিয়া পেশী শক্তির মাধ্যমে আমাকে নিয়োমিত প্রাণনাশের হুমকি ও আমাকে মিথ্যে মামলায় জড়িত করার পরিকল্পনা করে যাচ্ছে। আমার দখলীয় এজমালী চলাচলের রাস্তা দিয়ে গ্যাস, বিদ্যুত, পানি সংযোগ বর্তমানে বন্ধ করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে যে কোন সময় উক্ত বিবাদীগণ আমাকে খুন খারাবির মত বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করিতে পারে।
বিষয়টি সুষ্ঠ সমাধানে আমি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়কে অবগত করার লক্ষে আবদুল বাসেদ পাইকের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করি।




