এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ, শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরের শ্রীবরদীতে হাম- রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পরিচালনা উপলক্ষে উপজেলা কো – অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবু সাদাত মোহাম্মদ মফিদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২০ এপ্রিল সোমবার শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহেমদ হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেছেন। মে মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত মোট ১১ কর্মদিবস এই কার্যক্রম চলবে । ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী সকল শিশুকেই এই টিকা দিতে হবে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৩০ হাজার ৯ শত ১২ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। যারা এর আগে হাম-রুবেলার দুটি টিকা পেয়েছে তারাও এই ক্যাম্পেইন এর টিকা গ্রহণ করবে। যাদের হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণের সময় হয়েছে কিন্তু এখনো টিকা প্রদান করা হয়নি তারা আগে ক্যাম্পেইনের টিকা গ্রহণ করবেন তারপর ২৮ দিন পর যথারীতি শিডিউল অনুযায়ী এম আর টিকা নিবেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহমেদ। ভারপ্রাপ্ত ইপি আাই টেকনোলজিস্ট মুনতাসীর আহমেদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুর রহিম দুলাল, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো : মাহমুদুল হাসান, প্রেসক্লাব শ্রীবরদী’র সভাপতি ও দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ প্রমূখ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীবরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মামুন দুলাল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী অকুল, সদস্য সচিব সোহানুর রহমান সোহান, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মেহেদী হাসান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুর ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আলম তালুকদার, একাডেমিক সুপারভাইজার মোশাররফ হোসেন, এসআই মোরশেদ প্রমূখ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর একেএম মাসুদুর রহমান, উপসহকারি মেডিক্যাল অফিসার আসাদুল ইসলাম, নার্সিং সুপার ভাইজার রহিমা বেগম, নার্সিং ইনচার্জ শারমিন আলমসহ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ।




