ষ্টাফ রির্পোটার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার ইসদাইর এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাট রাজ্জাক কে মামলা দিয়ে বিতাড়িত করে সেই স্থান দখল করে নিয়েছে অপর মাদক সম্রাট সেলিম পেদা ও মাদক সম্রাজ্ঞী সীমা ও তাদের অনুসারীরা।
ফলে মাদক বিক্রি বন্ধ তো দুরের কথা শুধু হাত বদল হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান,ইসদাইর, ইসদাইর কাপইরা পট্টি, জেলা পরিষদ,ইসদাইর রেললাইন এলাকা,চানমারী, চাষাড়া রেলষ্টেশন এলাকার মাদক স্পট নিয়ে প্রায় সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।মাদক সম্রাজ্ঞী সীমার পুত্র নেংটা হোন্ডা দূর্ঘটনায় নিহত হয়।এতে রাজ্জাক জড়িত বলে সন্দেহ করে সীমা।
পরে মাদক বিক্রেতা শামীম হত্যাকান্ডের শিকার হলে রাজ্জাক ও তার পুত্র এবং সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলে রাজ্জাক বাহিনী দীর্ঘদিন এলাকা ছাড়া ছিল।পরে রাজ্জাক গং জামিন নিয়ে এলাকায় ফিরে এসে পুরোদমে মাদক ব্যবসা শুরু করে।
সম্প্রতি মোবারক কে অপহরন ঘটনায় মনিরের পুত্র জাকির বাহিনী ও মাদক সম্রাট রাজ্জাক জড়িত হলে মামলা হয়।এতে আবারো এলাকা ছাড়া হয় রাজ্জাক।
এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইসদাইর এলাকার মাদক স্পটগুলো দখলে নেয় ওমর পেদার পুত্র সেলিম পেদা,মাদক সম্রাজ্ঞী সীমা,তাদের সহযোগী চানমারীর মাদক সম্রাজ্ঞী রুমি,সেলিম পেদার মেয়ের জামাই ফজর আলী, কাপইরা পট্টির এলাকার পেটকাটা রকি,বাবু উল্লেখযোগ্য।
সেলিম পেদা ও সীমা ইসদাইর মন্দিরের পিছনে আস্তানা গড়ে তুলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ইসদাইর এলাকার মাদক স্পটগুলোর দখল নিতে গিয়ে শামীম ও মানিক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ ইসদাইর ও তার আশপাশের এলাকার মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে পারেনি। বরং দিনদিন মাদক ব্যবসা বেড়ে চলছে।
অপর দিকে ইসদাইর এলাকার মাদক বিক্রেতারা সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে আসার দৃশ্য দেখে ছটকে পড়ে মাদক বিক্রেতারা।
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রায় সময় মাদক বিক্রেতা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে সেলিম পেদা ও সীমা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসদাইর এলাকার মাদক স্পটগুলো। রাজ্জাক এলাকায় ফিরে আসতে তৎপরতা চালাচ্ছে। ফলে যে কোন মুর্হুতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।




