ষ্টাফ রিপোর্টার:
মাদক বিক্রেতাকে ধরে মারধর করে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ফতুল্লা থানা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক বাবুল মিয়ার ছেলে হাজী মিছির আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পিয়াস ও ভাগিনা আকবরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ৯ মে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কুতুবপুরের নয়া মাটি মুসলিম পাড়া ( উঁচা পাড়া) এলাকার লাবনী জুস ফ্যাক্টরির সামনে।
লাবনী জুস ফ্যাক্টরি সংলগ্ন কিসমতের দোকানের কর্মচারী কামালকে মাদক (ইয়াবা ট্যাবলেট) সহ আটক করে মারতে মারতে মুসলিম পাড়ার অন্য একটি অফিসে নিয়ে যায়। সেই অফিসে বসে দর কষাকষির এক পর্যায়ে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে রফাদফার মাধ্যমে কামাল কে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এই বিষয়ে পিয়াসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে ছিল। পুলিশের সামনেই এলাকার মুরুব্বীদের অনুরোধে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ভালো কথা কিন্তু টাকার বিনিময়ে কেন টাকাটা কে নিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে পিয়াস বলেন টাকা কে নিয়েছে আমি জানিনা।
বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বিকাশের মাধ্যমে কিসমতের কাছ থেকে টাকাটা নিয়েছে শ্রমিক নেতা বাবুলের ভাগিনা আকবর। টাকার বিষয়ে কিসমতের কাছে জানতে চাইলে রফা দফার কথা স্বীকার করলেও কত টাকা নিয়েছে তা বলতে নারাজ।
মাদকসহ আটকের পর মারধর এবং টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি জনমনে ব্যাপক কৌতুহল দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলেন,যেখানে বর্তমান সরকার মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন সেখানে কিভাবে টাকার বিনিময়ে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দিল শ্রমিক নেতার ছেলে ছাত্রদল নেতা পিয়াস ও ভাগিনা আকবর । তাহলে কি তাদের নিয়ন্ত্রণেই হচ্ছে মাদক ব্যবসা প্রশ্ন জনমনে। তবে স্থানীয়রা বলছেন আটকের পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়াটা অবশ্যই “ নাকি ঢাল মে কুচ কালা হ্যায়”?




