ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের হরিণ প্রতীকের প্রচারণাকে ঘিরে অর্থের বিনিময়ে গ্রুপ বেঁধে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে এটি নির্বাচনকালীন আচরণবিধি ও রাজনৈতিক নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নারায়নগঞ্জ -৪ আসনের নির্বাচনী সীমান্তবর্তী এলাকায় সংগঠিত গ্রুপ গঠন করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং এর পেছনে আর্থিক লেনদেনের ভূমিকা রয়েছে বলে বলা হচ্ছে। যা নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কারণ, ভোটার প্রভাবিত করতে অর্থের ব্যবহার শুধু প্রতিযোগিতার সমতা নষ্টই করে না, বরং নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
একই সঙ্গে এটাও গুরুত্বপূর্ণ যে এ মুহূর্তে বিষয়টি অভিযোগ পর্যায়েই রয়েছে। নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য ও ব্যাখ্যা শোনা, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ যাচাই এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ সবকিছু মিলিয়েই সত্য উদঘাটন হওয়া উচিত।
শেষে বলা যায়, নির্বাচনকে প্রশ্নমুক্ত রাখতে এমন অভিযোগের দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। তা না হলে গুজব, অবিশ্বাস ও রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়বে যার ক্ষতি শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকেই বহন করতে হতে পারে। অপরদিকে হাতি প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন এলাকা হতে। তবে তিনি আওয়ামী দোসর দুই সহোদর শামীম ও সেলিম ওসমানের মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন তা চাউর রয়েছে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায়। তিনি তার এবি ভেজিটেবল অয়েল মিলের অফিসে বসে প্রতি রাতেই বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আওয়ামীলীগের নেতাদেরকে ডেকে এনে ভোটের জন্য টাকা প্রদান করছেন এমনটাই বলছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে।
যদিও উভয় প্রার্থীই ক্যাম্প পরিচালনার খরচ বাবদ টাকা দিচ্ছে প্রচার করলেও বাস্তবে তার উল্টোটা। প্রতি রাতেই এ সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে জয়লাভের জন্য পরিচিত লোক দিয়ে টাকার বিনিময়ে ভোট ক্রয়ে মেতে উঠেছেন। বিষয়টি ভালভাবে তদারকি করলেই পুরো সত্যতা সবার সামনেই উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সাধারন ভোটাররা।
তাই প্রশাসনের উচিত তাদের গোয়েন্দাদের মাধ্যমেই মুল সত্যতা উদঘাটন করা। নতুবা কালো টাকা বিনিময়ে ভোটের রমরমা ব্যবসা বন্ধ করতে পারলে দেশ আগের মতই থাকবে বলে অভিমত জনসাধারনের।




