ষ্টাফ রিপোর্টার:
সাংসারিক জীবনে স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় এবং কারনে-অকারনে প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার সইতে না স্বামীকে তালাক দিয়েই শেষ রক্ষা পাচ্ছেনা স্ত্রী সোনালী আক্তার। উল্টো সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার অব্যাহত হুমকী প্রদান করছেন ইতালী রেজোয়ার রাফি। এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।
ফতুল্লা মডেল থানায় ধর্মগঞ্জ আরাফাতনগরের সোহরাবউদ্দিনের মেয়ে সোনালী আক্তার অভিযোগে উল্লেখ করেন যে,উল্লেখিত ১নং বিবাদী ফতুল্লার গাবতলী এলাকার সৈনিক মঞ্জিলের মালিক আবদুর রশিদ চৌধুরীর ছেলে রেজোয়ার রাফির সাথে ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক আমার বিবাহ হয়। ২ নং বিবাদী আমার শাশুড়ি রুজি চৌধুরী এবং ৩নং বিবাদ আমার ননদ রুবাবা চৌধুরীদ্বয়ের ইন্দনে ও কুপরামর্শে রেজোয়ান রাফি বিবাহের পর হইতে আমার সাথে প্রতিনিয়ত অকারণে অকারণে ঝগড়া বিবাদ করতঃ শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করিয়া আসিতেছিল। আমি ১নং বিবাদীর এরূপ অমানবিক অত্যাচার সহ্য করিতে না পারিয়া ১ ও ২নং বিবাদীদ্বয়ের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ আদালতে সি.আর মামলা নং- ৭৭৩/২৫ দায়ের করি। অতঃপর উক্ত মামলা ভিত্তিতে লিগ্যাল হেড অফিসে এই মর্মে আপোষ মিমাংসা করে যে, ১নং বিবাদী ও আমি একে অপরের সাথে সংসার করিব না এবং ১নং বিবাদী আমার কাবিনের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করিয়া দিবে। পরবর্তীতে বিবাদী আমার কাবিনের টাকা না দিয়া ৮ জুলাই ২৫ইং ১নং বিবাদী ইতালি প্রবাসে চলে যায়। এরপর হইতে বিবাদী আমার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সোস্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট করিয়া দিবে মর্মে প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি ধমকি প্রদান করিয়া আসিতেছে। সর্বশেষ গত- ১১ জুলাই ২০২৫ ইং দুপুর অনুমান ২ টায় বিবাদীর ফেইসবুক আইডি লিংক-তে বিবাদী সাথে সাংসারিক জীবনে তোলা আমার কিছু ব্যক্তিগত ছবিতে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল ও কু-রুচি সম্পূর্ণ কথা বার্তা লিখিয়া পোষ্ট করিয়া আমার ও আমার পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করে। বিষয়টি আমি জানিতে পেরে ২নং বিবাদীর মোবাইল নং- ০১৯২৭৯৮৭৮@@ তে ফোন করিয়া এরূপ কার্যকলাপের কারণে জিজ্ঞাসা করিলে ২নং বিবাদী আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতঃ হুমকি স্বরূপ বলে যে, আমি যদি উক্ত মামলা তুলে না নেই তাহা হইলে ২নং বিবাদী ১নং বিবাদীর দ্বারা আমার সাংসারিক জীবনের আরও ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সোস্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট করিয়া দিবে এবং ২নং বিবাদী আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে লোক সমাজে মুখ দেখাইতে দিবে না মর্মে জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করিয়া দেয়।
বাদীর পরিবারের সদস্যরা বলেন,প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার ছবি আপলোড করে আমার মেয়ে এবং আমাদের জীবনকে যন্ত্রনাদায়ক করে তুলেছে রেজোয়ান রাফি। এ বিষয়ে ওর পরিবারের সদস্যরা সবকিছু জানলেও তা না জানার ভান করে আছেন এবং আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকী প্রদান আসছেন।




