ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানা জাতীয় শ্রমিক লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন (৫৩)কে থানা থেকে ছাড়াতে যুবদল নেতার তদবির।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মামলায় রুহুল আমিনকে কুতুবপুরে পূর্ব শাহি মহল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত রুহুল আমিনকে থানায় নেওয়া হওয়ার পরপরই কুতুবপুর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড যুবলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.হযরত আলী থানায় ছুটে যান আসামীকে ছাড়াতে। থানায় কয়েক ঘন্টা ঘুরা ফেরা করে রুহুল আমিনকে ছাড়াতে ব্যর্থ হয়ে চলে যান।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর রুহুল আমিন দীর্ঘদিন এলাকায় দেখা যায়নি। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তারা জানান বিএনপি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দল। আর এই বিএনপির জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য হযরত আলী থানায় গিয়েছে রুহুলকে ছাড়াতে। পুলিশ যাকে ধরেছে এই রুহল আমিন ছিল আওয়ামী শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসী। সে আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপির নেতা কর্মীদের বাড়িঘরে থাকতে দেয়নি, অনেকের উপর জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে। আর এই আমীলীগের দোসর রুহুল আমিন কে ছাড়াতে থানায় গিয়েছে হযরত আলী। আমরা মনে করি তার বিরুদ্ধে বিএনপির নেতাদের ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ তাহলে আর কোন বিএনপি নেতা দলের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য আওয়ামী দোসরদের ছাড়াতে থানায় ছুটে যাবেনা।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান জানান, অভিযান পরিচালনা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মামলায় রুহুল আমিন নামের ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




