ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর ও সাহারা সিটি মাঠ এলাকায় আতংকের একটি পরিবার হচ্ছে শহিদ হোসেন ওরফে ডাকাত শহিদের পরিবার। যে পরিবারের প্রতিটি সদস্য যেন একেকটি অপরাধের নাম। চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই এবং মাদক এমন কোন কাজ নেই যা যা ডাকাত শহিদের পরিবার দ্বারা সংঘটিত হয়না। বিগত সময়ে আওয়ামী যুবলীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এলাকাজুড়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়ালেও বর্তমানেও যেন অব্যাহত রেখেছে এ ডাকাত শহিদের পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্যানুযায়ী জানা যায় যে, ডাকাত শহিদ বিগত ১৭ বছর আওয়ামী যুবলীগের ব্যানারে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এলাকাজুড়ে যাবতীয় অপকর্ম করেছে। তার ছেলে আজমীর ওরফে ডাকাত আজমীর,আসিফ এবং মেয়ে শরমী এলাকাতে অপরাধ জগতের অন্যতম সদস্য হিসেবে পরিচিত। পিতার ন্যায় আজমীর ওরফে ডাকাত আজমীরও ব্যাপক আলোচিত। অপর ছেলে আসিফও এলাকাতে চুরি-ছিনতাইয়ে বিশেষজ্ঞ। মেয়ে শরমী এলাকাতে অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। ৫ আগষ্টের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার উপর হামলার দায়েকৃত মামলায় পিতা শহিদ ও ছেলে আজমীর জেল খেটেছে কয়েকমাস।
সম্প্রতি জেল থেকে বেড়িয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে ডাকাত শহিদ ও তার ছেলে আজমীরসহ পরিবারের সদস্যরা। সাহারাসিটি মাঠের পাশে প্রতিটি বাড়ির মালিক এবং ছোটবড় সকল শিল্পমালিকরা যেন আতংকে থাকেন সবসময়। বিভিন্ন বাড়িতে জোড়পুর্বক প্রবেশ করে নেশাসেবন এবং নেশা বিক্রি ও বাড়ির ভাড়াটিয়াদের বের করে দিয়ে সেখানে থাকা মুল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে বিক্রি করাটা যেন নিত্যদিনের খোরাক হয়ে দাড়িয়েছে ডাকাত আজমীরের জন্য। রাতের আধারে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গেট ভেঙ্গে সেখান থেকে মুল্যবান মেশিনারিজ নিয়ে বিক্রি করছে প্রতিনিয়ত। কয়েকদিন পুর্বে নিটেক্স নামে একটি গার্মেন্টস থেকে এসি,ফ্যানসহ মুল্যবান মেশিনপত্র খুলে নিয়ে বিক্রি করে দেয় এ ডাকাত আজমীর। এছাড়াও একজন মহিলার বাড়ির ভাড়াটিয়াদের বের করে দিয়ে সেই বাড়িটিকে মাদক বিক্রি ও সেবনের নিরাপদ আখড়া হিসেবে গড়ে তুলেছে। এছাড়াও সাহারাসিটি মাঠে ভেতরে অবৈধভাবে ট্রাক ষ্ট্যান্ড গড়ে তুলে সেখানে ডাকাত আজমীরের বোন শরমী গড়ে তুলেছে মাদক বিক্রির স্পট।
তারা আরও জানান,যুবলীগের রাজনীতি করা ডাকাত শহিদ এখন নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে নিজে ও পরিবারের প্রতিটি সদস্য সাহারাসিটি মাঠ ও আশপাশ এলাকাতে অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করে তুলেছে। ছেলে আজমীর ওরফে ডাকাত আজমীর চুরি,ছিনতাই,ডাকাতিসহ নানাবিধ অপরাধ করে সাধারন মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। আর মেয়ে শরমীর মাদক স্পটগুলো যেন প্রতিটি বয়সী মানুষকে নেশাগ্রস্ত করে মৃত্যুর মুখে ধাবিত করে চলছে। বিশেষ করে ডাকাত আজমীরের অপরাধের সীমা এতটাই সীমাহীন পর্যায়ে চলে গেছে যে,সেখানে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষ এখন আতংকের দিনানিপাত করছে কখন কার বাড়িতে ও প্রতিষ্ঠানে চুরি-ডাকাতি করে সর্বশান্ত করে ফেলবে।
যুবলীগের ক্যাডার ও বৈষম্যবিরোধী মামলার একাধিক আসামী ডাকাত শহিদ তার ছেলে ডাকাত আজমীর ও মেয়ে মাদক বিক্রেতা শরমীর সীমাহীন অত্যাচার থেকে বাচঁতে এবং দ্রুত গ্রেফতাওে স্থানীয় সাধারন মানুষ র্যাব-১১ এবং ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




