ষ্টাফ রিপোর্টার:
গতকাল ১৩ এপ্রিল রাত ১২টায় শেষ হয়েছে বাংলা ১৪৩২ বর্ষ। রাত ১২ টার থেকে শুরু হয়েছে নতুন বাংলাবর্ষ ১৪৩৩। সেই সুবাদে বাংলা নতুনবর্ষকে স্বাগত জানাতে সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জেও সকাল থেকেই শুরু বাংলাবর্ষ উদযাপন। আর ঢাক-ঢোলের তালে, নাচ-গান ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষকে বরণ করেছে নারায়ণগঞ্জবাসী। নতুন বছরের প্রথম দিনেই নগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ষবরনের র্যালীর সামনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুলার ভেতরে লেখা হয়েছে “ শুভ নববর্ষ ১৪৩২” যা নিয়ে শহরজুড়েই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে নগরীর চাষাঢ়া থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
তবে এটি অবশ্যই সমালোচনার বিষয় বটে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে র্যালীর সামনে থাকা সেই শুভ নববর্ষ ১৪৩২ লেখাটি কি কারোর নজরে একটি বারের জন্যও হলেও পড়েনি। নগরীর চাষাড়া হতে শহর প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত যাওয়া র্যালীর প্রথমভাবে লেখা “শুভ নববর্ষ ১৪৩২” কারোর চোখে পড়েনি নাকি দেখেও না দেখার ভান নাকি বর্ষবরনের আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে সবাই ব্যাকুল হয়ে পড়েছিল।
তবে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর সাধারন মানুষের চোখ যেন কিছুতেই সরাতে পারছেনা এতবড় একটি ভুলকে।
জেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে বাংলা নববর্ষ উদযাপন কমিটির কোন সদস্য কি মারাত্মক এ ভুলটি দেখতে পায়নি। নাকি দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর অন্যকে দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে তিনি নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন এমনটাই প্রশ্ন সাধারন মানুষের। অনেকে আবার কৌতুহল বশত বলতে থাকেন পুরোনো বছরকেই আবার নতুন বছরে বরন করে নিচ্ছেন তারা। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানের ব্যানার কিংবা প্লেকার্ডে এমন বড় ভুল কি কারনে হলো তা খতিয়ে দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করেন সর্বশ্রেনীর সাধারন মানুষ।




