ষ্টাফ রিপোর্টার
আওয়ামী লীগ সরকারের এমপিদের মতই পারিবারিক তন্ত্র শুরু করে দিয়েছে বিএনপি’র এমপিরা।
এ পারিবারিক তন্ত্রের কারণে আওয়ামী লীগকে চরমভাবে লাঞ্ছিত হয়ে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে।
ঠিক সেই পথে যেন হাটছে বিএনপি সরকারের এমপিরা।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম এমপি পরিবারের দখলে চলে গেছে বন্দরের ও শহরের তিনটি হাই স্কুলের সভাপতি পদ।
আর এতে করে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষ। তারা মনে করেন ১৭ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও বিএনপি কতদিন থাকতে পারে তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
এভাবে কালাম এমপির পারিবারিক তন্ত্রকে নীতিহীন কর্মকাণ্ড বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনের অন্তর্ভুক্ত প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলের সভাপতির পদ দখল করে নিয়েছেন এডভোকেট আবুল কালাম এমপির ব্যক্তিগত পিএস ও তার একমাত্র পুত্র আবুল কাউছার আশা, শহরের আরেকটি ঐতিহ্যবাহী হাই স্কুল মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির পদ দখল করে নিয়েছেন এডভোকেট আবুল কালাম এমপির একমাত্র কন্যা এডভোকেট সামসুন নুর বাঁধন, আর বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার ঐতিহ্যবাহী নবীগঞ্জ গার্লস হাই স্কুলের সভাপতির পদ দখল করে নিয়েছেন আবুল কালাম এমপির একমাত্র পুত্র আবুল কাউছার আশার দ্বিতীয় স্ত্রী ইফফাত আরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,কালাম এমপি নিজেকে ক্লিনম্যান রাজনীতিবিদ দাবী করলেও পারিবারিক তন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবার উপরে।
বিগত আওয়ামী লীগের এমপিরা সারাদেশে পারিবারিক ও দলীয়করণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন লাভজনক প্রতিষ্ঠান দখল করে নিয়ে লুটপাট করে প্রতিষ্ঠান গুলো আর্থিক সহ শিক্ষার মান ধবংস করে রেখে গেছে।
সেই একই পথে চলছে বিএনপির এমপি আবুল কালাম বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এতে করে হিতে বিপরীত হতে পারে কালাম এমপির জন্য।কেননা রাজনীতিবিদ ও পারিবারিক লোকের বাহিরেও অনেক যোগ্য লোক ছিল উক্ত তিনটি স্কুল পরিচালনা করার।
একমাত্র কালাম এমপি তার পারিবারিক তন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে তিনটি স্কুলে সভাপতি পদে ছেলে,মেয়ে ও পুত্র বধুকে প্রতিষ্ঠিত করায় চর্তুদিকে তীব্র সমালোচনা চলছে।




