নারায়ণগঞ্জ বুধবার | ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
  সর্বশেষঃ
ফতুল্লার শীষ মহল মন্দিরে বিপদত্তারিনী পূজা পরিদর্শনে জেলা সনাতন পার্টি
ফতুল্লায় দেড় হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ওয়ালিউর রহমান আপেলকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্র দলের সাবেক নেতৃবৃন্দের ফুলের শুভেচ্ছা 
ফতুল্লায় ‘চুরির অভিযোগে’ রঙ মিস্ত্রিকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
তৌকিরের উপর হামলার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আসামী গ্রেফতারে পুলিশের ব্যর্থতা!
ফতুল্লায় ভোররাতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দুর্বৃত্তের আগুন
রাজনীতি এখন ৩ শ্রেণীর লোকের কাছে জিম্মি – আহমেদ আলী 
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধের প্রস্তাবে ইসির ‘না’
বন্দরে ৯৫৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই দম্পতি গ্রেপ্তার
ফতুল্লায় আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৮
কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বন্দর থানা শাখার সভাপতি হলেন মোঃ আনোয়ার হোসেন
গোল্ডেন বুট জিততে হলে মেসিকে কী করতে হবে?
সিদ্ধিরগঞ্জে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
বিদেশি সাংবাদিকের বইয়ে পাওয়া গেল মোজাফফরের অন্ধকার জীবনের গল্প
শেরপুরে আগুনে পুড়ল প্রাইভেটকারসহ চার প্রতিষ্ঠান
সড়কে নাসিকের নামে ‘নীরব চাঁদাবাজি’, জিম্মি পরিবহন চালকরা
সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকসহ ৬ জন গ্রেপ্তার
আড়াইহাজারে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, দাবি হত্যা
নেই চিকিৎসক , ওষুধও সীমিত রূপগঞ্জ উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে
ফতুল্লায় অপরাধ সিন্ডিকেটের নতুন সেনাপতি ডাকাত আজমীর!!
শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৫০০ খাদেম নিয়ে গড়ে তুলেছে অপরাধ নেটওয়ার্ক
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে হাসিনাসহ আসামি ৪১
১০ অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা
বন্দরে নব্য বিএনপির বহুরুপীদের প্রভাব,জনবিচ্ছিন্ন রাজপথের ত্যাগী নেতাকর্মীরা
বন্দরে চুরি ঘটনায় চোর জাহিদকে পুলিশে সোর্পদ করল জনতা
বন্দরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী হান্নান গ্রেপ্তার
শেরপুরের শ্রীবরদীতে ইয়াবাসহ আটক ২
কেউ খোঁজ নেয়নি জুলাই আন্দোলনে আহত সাংবাদিকদের !
আ’লীগ নেতা রানা গ্রেপ্তার
জামালপুরে টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের ৫ম বর্ষে পদার্পণ
Next
Prev
প্রচ্ছদ
সংস্কার, বিচার নাকি নির্বাচন?

সংস্কার, বিচার নাকি নির্বাচন?

প্রকাশিতঃ

বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনটি শব্দ ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। এই তিনটি বিষয় যেন এখনকার জাতীয় সংলাপের মূল স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—কোনটি আগে? সংস্কার ছাড়া নির্বাচন অর্থহীন? না কি বিচার ছাড়া সংস্কার অসম্পূর্ণ? নাকি একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই সব সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব? এই বিতর্ক শুধু মতামতের পার্থক্য নয়, বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গঠনে কোন পথটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হবে, সেই পথনির্ধারণের প্রশ্নও বটে।

প্রথমে আসা যাক সংস্কারের প্রসঙ্গে।

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দলীয় দ্বন্দ্ব, প্রশাসনিক অকার্যকারিতা, দুর্নীতি ও জবাবদিহির অভাব—সব কিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। শুধু একটি নির্বাচন আয়োজন করলেই এই কাঠামোগত সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। যে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবেশে মানুষ আস্থা হারিয়েছে, সেখানে আগে প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কার—যেমন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, আমলাতন্ত্রের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া এবং গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি করা। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন আয়োজন মানে পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া, যা আবারও একই ধরনের সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে।

এরপর আসে বিচার। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগে যেসব ঘটনা সামনে এসেছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক বিচার হওয়া জরুরি। বিচারহীনতা সংস্কার ও নির্বাচন উভয়েরই বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। জনগণের মধ্যে যে গভীর আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে হলে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা আবশ্যক।

একটি অন্তর্বর্তী সরকার যদি নিরপেক্ষ ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে সেটি একটি নতুন সামাজিক চুক্তির ভিত্তি রচনা করবে, যেখানে সব পক্ষ ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে ফিরে আসার সুযোগ পাবে।

অবশেষে, নির্বাচন। গণতন্ত্রের অপরিহার্য ভিত্তি। জনগণের অভিমত ও প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য এটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রশ্ন হচ্ছে—এই নির্বাচন কেমন হবে? নির্বাচন যদি অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে তা আবারও সংকটকে দীর্ঘায়িত করবে।

নির্বাচন যেন একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ও আস্থাপূর্ণ প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়, তার জন্য আগেই প্রয়োজন রাজনৈতিক সংস্কার ও বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা।

এই তিনটি বিষয়—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—আসলে একে অপরের পরিপূরক। কোনো একটিকে বাদ দিলে অন্য দুটি তাদের অর্থ হারায়। এদের মধ্যে কোনো একটি ‘অগ্রাধিকার’ হিসেবে নির্ধারণ না করে বরং ‘সমন্বয়’ করাই এখন সবচেয়ে জরুরি কৌশল।

বাংলাদেশ এখন যে সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, তাতে কেবল একটি ভালো নির্বাচন যথেষ্ট নয়, কেবল সংস্কারও অসম্পূর্ণ এবং বিচারের একপাক্ষিক প্রয়োগও গ্রহণযোগ্য নয়। একটি গ্রহণযোগ্য ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত রোডম্যাপ, যেখানে এই তিনটি স্তম্ভ—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—একসাথে কাজ করবে।

তাই প্রশ্ন শুধু ‘সংস্কার, বিচার না নির্বাচন’—এতে আটকে না থেকে উত্তর হতে হবে ‘সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন’। তিনটিরই সমান্তরাল অগ্রগতি নিশ্চিত করলেই বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একটি টেকসই গণতন্ত্রের পথে এগোতে পারবে।

 

সুত্রঃ কালের কন্ঠ

এ সম্পর্কিত আরো খবর

সম্পাদক মন্ডলীঃ

মোঃ শহীদুল্লাহ রাসেল

প্রধান নির্বাহীঃ

মোঃ রফিকুল্লাহ রিপন

সতর্কীকরণঃ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
সকল স্বত্ব
www.jagonarayanganj24.com
কর্তৃক সংরক্ষিত
Copyright © 2024

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ

বনানী সিনেমা হল মার্কেট
পঞ্চবটী ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
ফোন নম্বরঃ ০১৯২১৩৮৮৭৯১, ০১৯৭৬৫৪১৩১৮
ইমেইলঃ jagonarayanganj24@gmail.com

Website Design & Developed By
MD Fahim Haque
<Power Coder/>
www.mdfahim.com
Web Solution – Since 2009

error: Content is protected !!