প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
নাবালিকা শিশু অপহরন এবং জোড়পুর্বক ধর্ষনের মামলার পলাতক আসামী মো.আজিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ১১। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকা হতে র্যাব তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মো.আজিম গেশুারবাজার এলাকার হোসেনের ছেলে।
র্যাব কর্তৃক প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে,গত ১৭ মে ২৫ইং সকাল ৭ টায় ১৩ বছরের নাবালিকা শিশু ভিকটিম তার বাড়ী হতে দোকানের উদ্দ্যেশে রওনা দেয় এবং শ্বশানের গলি দিয়ে যাওয়ার সময় ফতুল্লা থানাধীন গেদ্দারবাজার তালতলা শ্মশান সংলগ্ন হাফিজুর রহমানের মেচ বাসার সামনে গলির মধ্যে আসামি আজিম ভিকটিমকে ডাক দিয়ে বলে যে কথা আছে শুনে যাও বলে ভিকটিমের সামনে গিয়ে দাড়ায় এবং ভিকটিম চলে যেতে চাইলে সেও যেতে থাকে। শ্মশানের গলিতে মানুষ শুন্য হওয়ার সুযোগে আসামী ভিকটিমকে হাফিজুর রহমানের ম্যাচ বাড়ীর শেষ মাথায় ১টি রুমের মধ্যে নিয়ে সিটকারী আটকিয়ে দেয়। ভিকটিম ভয় পেয়ে হৈচৈ করতে থাকে। তখন আসামি একটি চাকু বের করে হুমকী দেয় যে, তার সাথে মেলামেশা না করলে তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করিয় ফেলবে। তখন ভিকটিম জীবন ভয়ে দিশেহারা হয়ে উঠে এই সুযোগে আসামী উক্ত রুমের ফ্লোরে একটি পুরাতন কাঁথা বিছানো ছিল তাহার মধ্যে ভিকটিমকে জোর পূর্বক ঝাপটিয়ে ধরে শুয়ে ফেলে। ভিকটিমের চেয়ে আসামী বয়সে বড় হওয়া, আসামীর শক্তির সাথে ভিকটিম পেরে উঠেনা। ফলে আসামী সম্পূর্ন জোর পূর্বক ভিকটিমের গায়ের জামাকাপড় খুলে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। তখন ভিকটিম ডাক, চিৎকার করিলেও পাশে কোন মানুষ না থাকায় এবং উক্ত বাড়ীটি নিরিবিলি ও পতিত বাড়ী হওয়ায় তাৎক্ষনিক কেউ আসেনি। বাদীনি ভিকটিমকে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে সর্বশেষ অত্র মেচবাড়ীটি সন্দেহ হলে উক্ত বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে ডাকা ডাকি করিতে থাকে এবং সর্বশেষ রুমের দরজাটি আটকানো দেখে সেখানে গিয়ে ভিকটিমের নাম ধরে ডাক দিলে ভিকটিম চিল্লান দিয়ে কান্না করে উঠে। আসামি তাকে বাইরে থেকে আটকিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। বাদীনি কান্না শুনতে পেয়ে দ্রুত দরজা খুলে দেন এবং ভিকটিম অসহায় অবস্থায় উক্ত রুম হইতে বের হয়ে আসে। ঘটনাটি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের ডেকে ঘটনাস্থল দেখান ও শুনান। এরই প্রেক্ষিতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে এই সংক্রান্তে একটি মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামি আজিম‘কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




