ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লার ইসদাইর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মোটর সাইকেল থেকে নামিয়ে কিশোরগ্যাং লিডার ইভনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। রোবাবার রাত ৯ টার দিকে অক্টোঅফিস এলাকায় চেঙ্গিস খানের বাড়ীর সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।
হত্যাকান্ডের শিকার ইভন হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি ও কিশোর গ্যাং প্রধান হিসেবে পরিচিত। সে ইসদাইর এলাকার এম.এ আজম বাবুর ছেলে।
প্রতিপক্ষ সাইফুল গ্রুপের হাতে ইভন নিহত হয় বলে জানা যায়। সাইফুল গ্রুপও সন্ত্রাসী হিসেবে অভিযোগ রয়েছে।
নিহতের বড় ভাই রাফিন জানান, তিনি সংবাদ পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন। এসে জানতে পারেন ইভন মারা গেছে।
তিনি আরও জানান, রাত নয়টার দিকে ইসদাইর অক্টো অফিসস্থ চেঙ্গিস মিয়ার বাড়ীর সামনের রাস্তা দিয়ে নাছিম নামের এলাকার এক ছোট ভাইকে নিয়ে মোটর সাইকেলে করে নিজ এলাকায় ফিরছিলো ইভন। এমন সময় মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে ইভনকে নামিয়ে শফিকুল তার দুই ভাই পাগলা সাইফুল ও বাবু সহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসী কোপায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে সাথে থাকা নাছিমকেও কোপায়। এক পর্যায়ে ইভনের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল, সাথে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীর। পরে শরিফ নামের এক যুবক ইভনকে প্রথমে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইভনের বাবার বরাত দিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস,আই) শহিদুল জানান, সাইফুল, বাবু ও তাদের অপর এক ভাই সহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী রাত নয়টার দিকে ইভনকে কোপায়। পরে ইভনের সহোযোগিরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। সেখানেই ইভন মারা যায়।
উল্লেখ্য যে, প্রায় ৬ মাস পুর্বে হত্যাকান্ডের শিকার ইভন ও তার পরিবারের হাতে পাগলা সাইফুলসহ তার অপর ভাইকে ভোড়ে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেছিলো। সেই ঘটনায় পাগলা সাইফুলের পরিবার ইভনসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলাও করেছিলো। সেই মামলায় থানা পুলিশ আসামী ইভনসহ অন্যান্য আসামীদেরকে গ্রেফতারে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিলো। পরবর্তীতে ইভনের বাবা এম.এ আজম বাবু স্থানীয় বিএনপি নেতাসহ এলাকার মুরুব্বীদের নিয়ে সামাজিকভাবে সমঝোতার চেষ্টাও করেছিলো জানান স্থানীয়রা। সেই ঘটনার জের ধরেই ইভনকে একা পেয়ে কুপিয়ে হত্যা করে শফিকুল তার দুই ভাই পাগলা সাইফুল ও বাবু সহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসীরা।




