স্টাফ রিপোর্টার ( ) নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে শোকজ হওয়া দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী জুয়েল রানা’র বিরুদ্ধে এবার অর্থ কেলেঙ্কারিরও অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ। এর আগে কাজী জুয়েল রানা নারী কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে স্কুলের শিক্ষার্থীরা তার বহিষ্কার চেয়ে আন্দোলন করেছে। সেই আন্দোলনের পরি প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের সভাপতি নারায়ণগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা শিরিন জুয়েল রানা’কে শোকজ করেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আওতাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের দেলপাড়া এলাকার অবস্থিত স্বনামধন্য দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী জুয়েল রানা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার বরাবর একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দ ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক বৃন্দ বলেন, আমাদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী জুয়েল রানা একটা নারী কেলেঙ্কারির ঘটনার সাথে জড়িয়ে পরে এরপর আমরা শিক্ষক’রা বিষয়’টি দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু সম্ভব হয়’নি কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের একটি ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। পরবর্তী’তে রাস্তা-ঘাট, হাট -বাজার, চায়ের দোকান সহ সর্বত্রে এই কেলেঙ্কারির ঘটনা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয়, যার ফলে আমাদের স্কুলের সুনাম ক্ষুন্ন হয়। এই বিষয়’টি জুয়েল রানা অনুধাবন করতে পেরে সে নিয়ে পদত্যাগ করে চলে যান। কিন্তু এর প্রায় ১০/১২ দিন পর জুয়েল রানা ম্যানেজিং কমিটির চার জন ও আমাদের কিছু শিক্ষকের নাম উল্লেখ্য করে পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এই মুহূর্তে জুয়েল রানা যদি আবার এই চিয়ারে বসে তাহলে স্কুলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে তাছাড়া জুয়েল রানার কাছে স্কুল এখন নিরাপদ না তাকে এখানে না’দেওয়াই ভালো হবে।
এই বিষয়ে দেলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিংক কমিটির সদস্য মো. নাছির প্রধান জানান, জুয়েল রানার নারী কেলেঙ্কারির বিষয় টি এখন সবাই জানে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি তাকে শোকজ করেছে। তিনি আমাদের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ সাজিয়েছে এটা সবাই জানে। এখন আমরা তার বিষয়ে তদন্ত করে দেখছি উনি প্রচুর পরিমাণে অর্থ কেলেঙ্কারিরও করেছে আমরা এই বিষয়ে সভাপতি মহোদয়’কে জানিয়েছি এবং খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া আবেদন করেছি।
এই বিষয়ে কাজী জুয়েল রানার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমি এর শাস্তি মাথা পেতে নিবো। তারা আমার বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির যে অভিযোগ দিচ্ছে তার একটা কপি আমার কাছে দেওয়ার অনুরোধ রইলো তাহলে আমি সব বুঝিয়ে দিতে পারবো যে আমি কোনো অর্থ কেলেঙ্কারির করি নাই।




