ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার ক্লিন ম্যান হিসেবে খ্যাত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পারভিন আক্তার এলাকাবাসীর মতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন।
গত ৫ আগস্ট এর পর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা, নজরুল ইসলাম বাবু সহ তার দোসররা দেশ থেকে পালিয়ে যায়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিএনপি নাম ব্যবহার করে যারা আড়াই হাজার উপজেলা জুড়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, দখলবাজি,ভূমিদস্যুতা, নৈরাজ্য সহ নানান অপকর্ম করে আসছিল এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়ে এগিয়ে এসেছেন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভিন আক্তার।
এতে করে বিএনপির ভাবমূর্তি অনেকটা বৃদ্ধি পায়।
বিগত ১৯ বছর যাবত আড়াইহাজার উপজেলার বিএনপি নেতা কর্মীদের নয়নের মধ্যমনি হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন।
উচ্চশিক্ষিত,নির্লোভ ও কর্মীবান্ধব নেত্রী পারভিন আক্তার গত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছর তৎকালীন আওয়ামী লীগের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু বাহিনী দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন।
তার বাড়িঘর,ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হামলা,লুটপাট চালিয়ে কোটি কোটি টাকা ক্ষতিসাধন করেছেন।
শুধু পারভীন আক্তার কে নয় তার নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মামলা,হামলা করে হয়রানি করেছেন। সে সব নেতাকর্মীদের আইনি পরামর্শ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা করা সহ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন অক্টোপাসের মতো।
মাতৃ স্নেহে আগলে রেখেছেন। এজন্য কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি ও মহিলা দলের কোন কর্মসূচি হলে হাজার হাজার নেতাকর্মী সে কর্মচারীতে অংশগ্রহণ করে।
নজরুল ইসলাম বাবুর এমপির রোষানলের শিকার হন তার স্বামী জেলা বিএনপি সাবেক অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন অনু।
নজরুল ইসলাম বাবু এমপি যখন বিগত ১৭ বছর আড়াইহাজার উপজেলায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি সহ নানান অপকর্ম করে বেড়াচ্ছিল তখন বিএনপির কোন নেতাই এর প্রতিবাদ করেননি।
বিএ ও এলএলবি পাস করা পারভীন আক্তার প্রতিবাদে মুখর ছিলেন। এজন্য তাকে ও তার পরিবারকে নজরুল ইসলাম বাবুর রোষানলে পড়ে ৩৪টি মামলার আসামি হতে হয়েছে।
শিকার হতে হয়েছে শারীরিক নির্যাতন ও আর্থিক ক্ষতির। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য, জেলা মহিলা দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আড়াইহাজার উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী ও বর্তমান জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অপশাসনের প্রতিবাদে সবসময় ছিলেন সোচ্চার।
পারভীন আক্তার ২০১৩ সালে আড়াই হাজার পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে অংশগ্রহণ করেন এবং ফলাফল পাল্টে দেওয়ায় দলীয় সিদ্ধান্তে সে নির্বাচন বয়কট ও বর্জন করেন।
২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ও ২০১৮ সালে পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে অংশগ্রহণ করেন। কারচুপির মাধ্যমে ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ এনে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্বাচন গুলো বর্জন করেন। নির্বাচন বয়কট ও বর্জন করায় বিশ্ব দরবারে আওয়ামী লীগের নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হলে আওয়ামী লীগ সরকারের ও নজরুল ইসলাম বাবু এমপির বিরাগভাজন হন।
গত ৫ আগস্টের পর যারা বিএনপির নাম ভাংগিয়ে চাদাঁবাজি, সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা,ভূমিদস্যুতা করেছিলেন তাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন পারভীন আক্তার।
মাদক সন্ত্রাস চাদাঁবাজি,ভূমিদস্যুতা,নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আতাদী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে,লেহুরদী বদিউজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়,সদাসদী বহুমূখী বিদ্যালয় ও নৈকাহন ঈদগাহ মাঠে নৈরাজ্য,চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে হাজার হাজার জনগনকে নিয়ে বিশাল প্রতিবাদ সভা করেন। সেখানে সর্বস্তরের আম- জনতা অংশগ্রহণ করে পারভীন আক্তার কে সমর্থন করেন।
বর্তমানে পারভীন আক্তার নিরলসভাবে একের পর এক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
একজন নেতা আড়াইহাজারের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অর্থের বিনিময়ে পূর্ণবাসনের করেন এবং ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিএনপির কমিটিতে পদ প্রদান করেন।
সেই সাথে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের কোন ঠাসা করার অপচেষ্টা চালালে পারভিন আক্তার সাহসিকতার সাথে প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেন।
সেই নেতার চাঁদাবাজি, দখল বাজি, মাদক ব্যবসা, ভূমিদস্যুতা সহ নানান অপকর্মের শক্ত অবস্থানে থেকে প্রতিবাদ করতে থাকেন।
এতে করে আড়াইহাজারে গত ১৪ মাসে বিএনপি নাম ব্যবহার করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে পারভিন আক্তার তার প্রতিবাদ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে ১০ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড,অলিগলিতে গনসংযোগ,লিফলেট বিতরন করে জনমত গড়ে তোলেন।
সরেজমিনে আড়াইহাজারের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা ঘুরে জানা যায়, শুধু বিএনপি না সাধারন মানুষ ও পারভীন আক্তারের পক্ষে রয়েছেন।
তারা নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, আগামী এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি পারভীন আক্তার ছাড়া অন্য কাউকে নমিনেশন দেওয়া হয় তা হলে আরেক নজরুল ইসলাম বাবু এমপির জন্ম হবে।
এতে করে আড়াইহাজারবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে। উচ্চশিক্ষিত, কর্মীবান্ধব ও জনদরদী পারভীন আক্তারকে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র পক্ষে মনোনয়ন দেওয়া হলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পারভীন আক্তার বিজয়ী হয়ে আসবেন।
পারভীন আক্তারের কাছে বিএনপির মনোনয়ন সবচেয়ে বেশী নিরাপদ ও বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন বলে মনে করেন বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
এ ব্যাপারে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়নগঞ্জ -০২ (আড়াইহাজার) আসন হতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী পারভীন আক্তার গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক, তারেক রহমান সাহেব মনোনয়নপত্র দিতে ভুল করবেন না। উনি যথাযথ মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে আমাকে মনোনয়ন দিবেন বলে আমি আশা রাখছি। এছাড়াও আমার নেতা তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিবেন সেই নির্দেশনা মোতাবেক আমি কাজ করে যাবো।
আড়াইহাজারের বিএনপির তৃনমূল সহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অভিমত ক্লিনম্যান,কর্মীবান্ধব,জনদরদী পারভীন আক্তার হবেন বিএনপির এমপি প্রার্থী। স্থানীয় জনমতের ভিত্তিতে পারভীন আক্তার অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন।




