সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে মো.আরিফুল ইসলাম টিটু ঢালীকে নিয়ে রসরঙ্গ। একজন রাজনীতিবিদ কিংবা কর্মী হিসেবে নীতি ও আদর্শ থাকা জরুরী হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সাথে তার ছবিগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া হলে তা নিয়ে শুরু হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে জল্পনা-কল্পনা। সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের বেয়াই লাভলুর সাথেও দেখা মিলছে টিটুর। আবার বিএনপির ছোটবড় সকল নেতাদের সাথেই রয়েছে টিটুর একান্ত ছবি। আবার ব্যানারে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম দলের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির আহবায়কের নামটি। আসলে টিটু ঢালী কি কোন রাজনীতিবিদ নাকি রাজনৈতিক ব্যবসায়ী নাকি সুবিধাবাদী। যখন যেখানে থাকলে সুবিধা ভোগ করা যাবে। বিভিন্ন নেতাদেও সাথে সখ্যতাপুর্ন ছবিগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখা হয়েছে টিটুকে নিয়ে রসরঙ্গ। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও লেখাটি হুবুহু তুলে ধরা হলো:
কাশিপুরে নতুন গবেষণা শুরু— “টিটুবিদ্যা–১০১: এক টিটুর হাজার রং কোথায় লুকায়?”
কাশিপুরের লোকজন বলে
আজ টিটু নাকি শামীম ওসমানের বিয়াই লাভলুর লয়্যাল,
কাল দেখা যায় জোসেফ–জাকির খানের লাস্ট বেঞ্চের ভাই,
পরশু আবার এবি পার্টির টাকলা ফুয়াদ ঘোষণা দেয়—
“টিটু আমাদের আজীবন সদস্য—নিজেদের লোক!”
আরো আছে—
অধ্যাপক মামুন,মাশুকুল ইসলাম রাজীব, জিতু, শহিদ, শাহ আলম, শিকদার বাপ্পী, গিয়াস, সাদরিল…
যাকে ধরো, সেও নাকি টিটুর রাজনৈতিক অভিভাবক!
এত অভিভাবক দেখে এলাকার মানুষ ডাইলগ দিচ্ছে—
“টিটুর বাপের সংখ্যা নাকি টিটুর রাজনৈতিক আইডি থেকেও বেশি!”
টিটুর নতুন টাইটেল— ‘মাল্টিপ্লাগ ডালী’
আওয়ামী লীগ দেখলে মুখ শক্ত,
বিএনপি দেখলে দাঁত খোলা,
আর সুবিধা দেখলে—
এক লাফে দলবদলের স্পিডে টিকটককেও হার মানায় টিটু!
কাশিপুরে এখন নতুন প্রবাদ—
“টিটুকে খুঁজতে দল দেখবেন না—ওয়াই-ফাই সিগনাল দেখুন।
যেখানে নেটওয়ার্ক জোর, টিটু সেখানে কানেক্টেড!”
মানুষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত—
টিটু কারো না—টিটু শুধু সুবিধার!যেদিকে লাভের ঢাক বাজে, সেদিকেই টিটুর রাজনৈতিক প্রেম তীরের মত দৌড়ে যায়।
রাজনীতির মাঠে সবাই বদলায়—
কিন্তু টিটু ডালী?
সে নিজেই এক চলমান জোট:
নেতা আপডেট, দল আপডেট,
টিটু—অলওয়েজ অন, অলওয়েজ কানেক্টেড, অলওয়েজ সুবিধায়!




