ষ্টাফ রিপোর্টার
ফতুল্লা থানা বিএনপি সদস্য এবং এনায়েতনগর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও জুলাই- আগষ্ট আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা সিরাজ উদ্দিন সিরাজ পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলে চোখে আঘাত প্রাপ্ত হন।নিজের পকেটের টাকা খরচ করে ভিশন আই হাসপাতাল ২২৯ গ্রীন রাডস্থ সাড়ে ৩ লাখ টাকা ব্যয় করে “দু”চোখে ইনজেকশন ও লেজার ওয়াশের মাধ্যমে বর্তমানে ও চিকিৎসা করাচ্ছেন।
বাংলাদেশের ডাক্তাররা ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছেন।
বিএনপি নেতা ও জুলাই- আগষ্ট আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা সিরাজউদ্দিন ১৯৮৮ সালে সরকারী তোলারাম কলেজে পড়ারত অবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে জড়িত হন।এখনো পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৮ বছর যাবত বিএনপির সাথে জড়িত রয়েছেন।বিগত আওয়ামী লীগের অপশাসনামলে প্রলোভন উপেক্ষা করে মামলা,হামলা, জেলের ভয় উপেক্ষা করে বিএনপির সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন অগ্রসৈনিকের ভূমিকায়।
সিরাজউদ্দিন সিরাজ বলেন,৩৮ বছর যাবত বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত আছি এবং যতদিন বেঁচে থাকবো বিএনপিকে নিয়ে থাকবো।
শেখ হাসিনার পতনের ডাকে গত ২৮/১০/২০২৩ইং তারিখ জেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন এর নেতৃত্বে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে গ্রেফতার হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দীর্ঘদিন কারাভোগ করি।
যাত্রাবাড়ী থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-৯৭ তারিখ-২৯/১০/২০২৩ ইং আমাকে ৯ নম্বর আসামী করা হয়।এছাড়াও সাইনবোর্ড এলাকায় ভাংচুর ও নাশকতার অভিযোগে ফতুল্লা মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলার আসামী হিসেবে দীর্ঘদিন ফেরারী থেকে হাইকোর্ট থেকে জামিন নেই।
২০২৪ সালে জুলাই- আগষ্ট আন্দোলন সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করি।৫ আগষ্ট যাত্রাবাড়ী টোল প্লাজা এলাকায় হাসিনার পতন আন্দোলনে থাকার সময় হাসিনার পুলিশ বাহিনীর টিয়ারশেলে চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হই। যা জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি প্রত্যক্ষ সাক্ষী ।
নিজের টাকা খরচ করে চিকিৎসা করালেও এখনো চোখে ভালভাবে দেখতে পাইনা।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়া লন্ডনে থাকাকালীন ভিডিওতে কনফারেন্সে ২০২৩ সালে ২৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার পতন আন্দোলন ঢাকা হতে আটক হয়ে কারাবরন করে মুক্তি প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান করলে আমি সে অনুষ্ঠানে প্রথম সারিতে ছিলাম।
জুলাই- আগষ্ট যোদ্ধা সিরাজউদ্দিন সিরাজ বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




