ষ্টাফ রিপোর্টার:
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভন্ড কবিরাজ কৃষ্ণ নামে কবিরাজের চিকিৎসার নামে ভন্ডামী নিয়ে ভিডিও ফুটেজ সামাজিকভাবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সাধারন মানুষগুলো তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য কৃষ্ণ’র কাছে গেলেও মুল চিকিৎসার পরিবর্তে উল্টো প্রতারনার শিকার হচ্ছেন তারা। মুলত রোগীর রোগ ভাল হোক সেটা আমলে নেয়ার সময় নেই ভন্ড কবিরাজ কৃষ্ণ’র। তার ভেতরে রয়েছে প্রতারনার মাধ্যমে সাধারন মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া।
ভন্ড কবিরাজ কৃষ্ণ ফতুল্লা পাইলট স্কুলের পেছনে বাসায় গড়ে তুলেছেন এ ভন্ড ও প্রতারনার কবিরাজির কাজ। পাশাপাশি সে ফতুল্লা পাইলট স্কুলের পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজে নিযুক্ত। টোনা-টোটকা,কালাযাদু,কুফরি,কোর আনের আয়াতকে উল্টো করে লেখা, সর্ববশিকরন ও বিচ্ছেদ,মানুষকে বান মারাসহ বিভিন্ন প্রকারের চিকিৎসার কথা বলে সাধারন মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়। কিন্তু টাকার দেয়ার পর কাজ হচ্ছেনা বিধায় ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত চাইতে এসে কৃষ্ণ’র বাড়ির আশপাশে থাকা মাদক সেবীদের দিয়ে উল্টো হুমকী প্রদান করে থাকে ভুক্তভোগীদের। যদি কেউ তার প্রদেয় টাকা ফেরত নিতে চাপ প্রয়োগ করে থাকে তাহলে এ ভন্ড কবিরাজ কৃষ্ণ ভুক্তভোগীদেরকে থানার ওসি’র আমার সুসর্ম্পক রয়েছে বলে ভয়ভীতি প্রদান করে থাকে।
কৃষ্ণ’র কাছে কবিরাজি করাতে এসে সুফল না পাওয়া নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক ভুক্তভোগী জানান, তার ঘরে যেই আসরটি তিনি তৈরী করেছেন সেটা দেখে কারোর বোঝার উপায় নেই আসলে তিনি একজন ভন্ড কবিরাজ। হিন্দু শাস্ত্রেও সকল কিছুই তার আসরে রক্ষিত রেখেছেন যেটা দেখে সাধারন মানুষ অল্পতেই বুঝতে পারেন যে কৃষ্ণ একজন অভিজ্ঞ কবিরাজ। মুলত সেগুলো কৃষ্ণ’র অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়ার একটি অপকৌশল মাত্র। তারা আরও বলেন,কবরস্থান থেকে আনা মৃত মানুষের মাথার খুলি ও হাড়ও রয়েছে তার আসরে।
তারা আরও বলেন, এ কৃষ্ণ’র কবিরাজি থেকে অনেক নিরীহ মানুষ ধোকা খেয়েছেন প্রচুর টাকা দিয়ে চিকিৎসা করাতে এসে।
মাদকের সাথে সর্ম্পৃক্ততাসহ কৃষ্ণ’র আরো অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য জানতে চোখ রাখুন জাগো নারায়ণগঞ্জে!




