নিজস্ব সংবাদদাতা // জ্বালানি সংকটে দেশের অবস্থা যেখানে নাজেহাল সেখানে শাহাজালালের ভান্ডারে বিশাল পরিমান জ্বালানি তেল মজুূূদ আছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে স্বৈরাচারী সরকারের ও প্রভাবশালী সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ দোসর শাহাজালাল।
২০১০, সালেও যাদের কিছুই ছিল না আজ তারাই শামীম ওসমানের সহিত বাংলা তেলের কেরিং এবং কেরোসিন, এ.টি এফ এবং বাংলা তেলের সাথে ক্যামিকেল মিশিয়ে অকটেন তেলে পরিণত করে। এবং এর সাথে মাদকের রমরমা ব্যবসাও তার রয়েছে। বর্তমানে। শাহজালাল এই তেল ও মাদকের ব্যবসা করে ৩ হাজার কোটি টাকার মালিক। তার ঢাকা শহরের মধ্যে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ২৮-৩০ টি ভেলের পাম্প রয়েছে। পদ্মা ডিপোতে ট্যাংক পরি ভাউচার গাড়ি রয়েছে ৩৫ টি এবং শীতলক্ষ্যা নদীতে তেলের ট্যাংকার ও বালুর ট্রলার রয়েছে ২০-২২ টি। জালকুড়ি বিলে তার জমিত পরিমাণ প্রায় ১০০ বিগ্য উপরে। বর্তমানে তার এই সুবিশাল সম্রাজ্যের রক্ষণাবেক্ষণ করে তারই বড় ভাতিজা মাসুম শেখ। পদ্মা ডিপোর আওতাধীন প্রায় ৮০ টির মত জামাজ সরকার কর্তৃক বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে ৯০ টি জাহাজ পদ্মা ডিপোর আওতায় নিয়োগ করা হয়। যার মধ্যে শামীম ওসমান সাহেবেরই ১০-১২ টি ট্যাংকার এবং তার আত্মীর স্বজনসহ অন্যান্য নেতাদের মিলিয়ে প্রায় ৫৪ টি জাহাজ নিয়ে একটি সিন্ডিকেট করা হয়। সিন্ডিকেটের নাম (১) দুলাল (২) মাসুম (৩) মারুফ (৫৫) অনুপ (৫) ম্যানেজার আরিক (৫) নৌকার সর্দার আনোয়ার। ডিপোর দক্ষিণ দিকে দেওয়ালের পাশে নায়ায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সড়কের ওপর চোরাই সিন্ডিকেটের একটি ছোট দোকান নিমার্ন করেন। এর পাশেই জিন্দা লাশের বাড়িতে আরও একটি ছোট গোডাউন রয়েছে। এবং বাগপাড়া গ্রামের ভিতরে শাহজালালের অফিসের নিকট আরও কয়েকটি বড় গোডাউন রয়েছে। বর্তমানে সাজ বিশ্বে তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় কারনে এই সিন্ডিকেটটি মধ্য রাত ৩টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত জাহাজ থেকে ফেরোসিন, ডিজেল, পেট্রোল, বাংলা তেল, এ.টি. এক সহ হাজার হাজার লিটার চোরাই তেল শীতলক্ষ্যা নদীতে চট্টগ্রাম ও ঘোড়াশাল থেকে আস্য ট্যাংকার জাহাস থেকে নামায়। এবং পদ্মা ডিপোর ট্যাংকার জেডি হইতে মাল আনলোড করার সময় ডিপোর লেবারেরা ডিপোর ভিতর হইতে কেনে করে হাজার হাজার লিটার মাল অনুপের নিকট বিক্রি করে। উক্ত তেল তাদের গোডাউনে তুলিয়া উক্ত তেলের সাথে ক্যামিকেল মিশিয়ে তাকে অকটেনে পরিণত করে এবং সেই নিম্ন মানের তেল তার চাচা শাহজালাল সহ অন্যান্য পাম্পে বিক্রি করে। বর্তমানে বাগপাড়া জলঘাটার বিন দাউদ নামে একটি জাহাজ লেট আপ অবস্থার রয়েছে এবং তার সাথে বাঁধা রয়েছে ২টি বালুর টলার বা অনুপ শেখের অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চট্টগাম থেকে দেশ ওয়ান জাহাজ ফানিস তেলের টিপ দেয় বিভিন্ন পার হাউজে। উক্ত জাহাজে করেই নদীপথে ইয়াবা ও ক্যান্সিডিলের বড় বড় চালান আশে অনুপ শেখের নিকট। অনুপ শেখ জোড়ালো ভাবেই বলে যে সে তার এই ব্যবসা টিকিয়ে রামতে এস পি. ভিবি, সি. আই.ডি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, কাঁচপুর নৌবাড়ীকে মাশোয়ারা প্রদান করে। ডিবি সোর্স আনোয়ার ও মিশুর মাধমে এই মাশোয়ারা প্রদান করে থাকে। এছাড়াও এলাকার বি. এন. পির নেতাকর্মীদের ও মাশোয়ারা প্রদান করে থাকে। বর্তমানে শাহজালাল ও এম পি শামীম ওসমান দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। দুলাল শেখ, মাসুম শেখ তাদের এই অবৈধ ব্যবসার প্রতিমাসে হিসাব করে লভ্যাংশ শাহজানাল ও এম পি শামীম ওসমানের নিকট পাঠিয়ে দেয়।
অনুপ শেখের সিন্ডিকেটের ট্যাংকার জাহাজের তালিকাঃ
১। এম. টি নোমেল, ২। এম.টি প্রেমা ৩। এম-টি জলকুমারী, ৪। এম টি দোয়েল, ৫। এম টি দেশ, ৬। এম. টি বিন দাউদ-১ ৭। এম.টি বিন দাউদ- ২,৮। এম. টি সী ম্যাক্স-১, ৯। এম. টি মার্কিন টাইল-১২, ১০। এম. টি মার্কিন টাইল-১৩, ১১। এম টি মার্কিন-১৪, ১২। ১৪ এম. চি মার্কিন টাইল-১৫।, ১৩। এম. টি সাদিয়া অনিক -১ ১৪। এম. টি সাদিয়া অনিক-২, ১৫। টি সী ভিউ-১, ১৬। এম. টি সী ভিউ-২, ১৭। এম. টি কিং ফিসারী ১, ১৮। এম. টি কিং ফিসারী- ২ ১৯। এম. টি কিং ফিসারী-৩ ২০। এম.চি সাং হাই-১ ২১। এম. টি সাংহাই-২,২২। এম. টি সাংহাই-৯,২৩। এম. টি সামিয়া-১,২৪। এম টি সামিয়া-২,২৫। এম.টি কোয়েল-২,২৬। এম.টি করিম- ১.,২৭। এম.টি আলকুদ-১,২৮। এম. টি রামা- ১,২৯। এম. টি রামা-২ ৩০। এম.টি ফারহানা-৩,৩১। এম টি সামিট-১,৩২। এম.চি অমি ৩৩। এম, টি তাহিয়া,৩৪। এম. টি লাইন,৩৫। এম.টি আরজু,৩৬। এম টি গ্লোবাল,৩৭। এম. টি সুইট,৩৮। এম.টি আজবাল,৩৯। এম টি টোটাল,৪০। এম টি করিম-৬, ৪১। এম.টি করিম-৭ ৪২। এম টি ছানিয়াত-১, ৪৩। এম.টি সী ম্যাক্স-২,৪৪। এম.টি জুলফিকার ৪৫। এম. টি সী পাস-২,৪৬। এম. টি ওসান ড্রীম,৪৭। এম.টি ওসান কুইন ড্রীম,৪৮। এম. টি ওসান কুইন,৪৯। এম.টি সাগর নন্দিনী-২,৫০। এম. টি এবাদি-৫,৫১। এম. টি সাগর নন্দিনী-৩,৫২। এম. টি আনন্দ স্লীম,৫৩। এম.টি রিদা ৫৪। এম.টি জাকিয়া।
এ বিষয়ে কথা বলতে অনুপ শেখের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ও অনুপ শেখ, মাসুম শেখ ও দুলাল শেখ কাউকেই পাওয়া যায় নি। ডিপোর আশেপাশে প্রকাশ্যে তেল চুরির ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তেল চোড় সিন্ডিকেন্ট কারনে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি বাজারে ভেজাল তেলের সরবরাহ বাড়ছে এই তেল চুরির সিন্ডিকেট সম্পর্কে অবগত ও সত্ত্বেও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ও রাতে টহল রত কাঁচপুর নৌ ফাড়ি নিরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তাই তেল চুড়ি বন্ধে যথাযথ পদে নেয়ার দাবী স্থানীয়দের।




