নিজস্ব সংবাদদাতা // ভাই ভাই, কল্যানমুখীর পর এবার বন্দর থানা দলিল লিখক সমিতি নিয়ে সর্বত্র গুঞ্জন।। যে সমিতি বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে সদস্যদের কোটি কোটি টাকা লুটেপুটে খাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত।
বন্দর থানা দলিল লিখক সমিতির সাধারণ সভা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা। এবার চর্থুরমুখী দাবার চালে সেই পূর্বের লুটেরাদের অবস্থান। সাধারণ সভা পরিচালনা ও সভাপতিত্ব করবে কে এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।
ন্দরে দলিল লিখক সমিতির নেতা হতে মরিয়া হয়ে পড়ছে স্বৈরাচারী সরকারের দোসররা। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে শহরে আম্মাজান হিসাবে পরিচিত ও তার ছেলে যুবরাজ খ্যাত আজমেরী ওসমানের আর্শীবাদ পুষ্ঠ পাভেল খান। স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে ধরাকে সরা ঞ্জান করা পাভেল খান স্বরুপে আশার জন্য নানাভাবে পায়তারা করছেন। দলিল লিখক সমিতির কমিটি ও নেতা হলে কি এমন মধু এমনই প্রশ্ন সর্বত্র চাউর।
বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে বন্দর দলিল লিখক ও ভেন্ডার নামে সমিতি ছিল। সেটা থাকার পরও বন্দর থানা দলিল লিখক সমিতির নামে লুটেরারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, হুমায়ন কবির মৃধা, পাভেল খান , আজিজ দেওয়ানরা যৌথ প্রযোজনায় সকল কিছু চলতো।
সূত্রে আরো প্রকাশ, বিগত স্বৈরচারী সরকারের সময় হতে বন্দর দলিল লিখক সমিতির কার্যক্রম, লোপাটের ঘটনায় সর্বত্র নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। নান অপকর্ম, সদস্যদের টাকা আত্নসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার, সমিতির নামে নিজস্ব জায়গা ক্রয়ে ঘাপলাসহ নানা অনিয়মে জর্জরিত একটা সমিতি।৷ বন্দর থানা দলিল লিখক সমিতির নামে লোপাটের স্বর্গরাজ্বে পরিনত করেছিল। ফ্যাসিস্ট স্বৈরচারী সরকারের পতনের পর দীর্ঘদিন নীরব থাকলেও পুনরায় সেই পুরান মুখ দ্বারা নতুনভাবে ভাই ভাই, কল্যানমুখি ৩ টি নামে দলিল লিখক সমিতির আত্নপ্রকাশ করছে। ভাই ভাই দলিল লিখক সমিতির সভা করার সপ্তাহ না পেরুতেই গত শনিবার বন্দর থানা দলিল লিখক সমিতির ব্যানের সভা করে আরেকটি গ্রুপ। দীর্ঘদিন নীরব থাকলেও সেই পুরান মুখ গুলো আবার সভা করে সকলেই বলছে নির্বাচন দিয়ে কমিটি গঠন করার জন্য। হঠাৎ তাদের কমিটি নিয়ে ব্যাস্ততা আর দায়িত্ববোধের ভাষ্য শুনে সর্বত্র আলোচনা ও সমালোচনা ঝড় বইছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে, একাধিক দলিল লিখক জানান, দলিল লিখক সমিতির নামে জায়গা ক্রয় করা হয়েছে। সেখানেও ঘাপলা। নিজস্ব জায়গা থাকতে৷ আমরা ভাড়া থাকবো কেন?? সেই জায়গা, আমাদের কোটি কোটি টাকা দফায় দফায় আত্মসাৎ করেছেন। এখন আবার ৪ টি সংগঠন উঠে পড়ে লেগেছে কমিটি করার জন্য। নামে ৪ সংগঠন সমিতির কমিটি নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে। তার মানে সকলে বাহিরে সমিতির কর্তারা পূর্বের বড় ভাইদের পথ অনুসরন করে সংগঠনটির নামকরন করেছে গুরুত্বপূর্ণ। কাজে ও কথায় ভুল হবে না= ভাই ভাই। সমিতির কমিটি গঠন নিয়ে চর্থুরমুখী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারনে এমন হওয়াটা স্বাভাবিক।
এদিকে সভায় দলিল লিখকরা বলেন, আমরা অভিভাবকহীন হয়ে পড়ছে। দলিখ হিসাবে কাজ করে ৭ হাজার টাকা পাইলে ২৫ হাজার টাকা পায় সাব-রেজিস্ট্রার। তাদের বক্তব্যে প্রকাশ পাই সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিস যেন অনিয়ম ও দূর্ণীর আখরা।
বিষয়গুলো তদন্ত সাপেক্ষে জেলা রেজিস্ট্রারসহ জেলা প্রশাসক ও সাংসদ এড আবুল কালামের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।




