নিজস্ব সংবাদদাতা // একজন মুখোশধারী বহুরুপী মাস্টার মাইন্ডার ওসমান পরিবারের দোসরের নানামুখী গ্যাড়াকলের ঝালে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে এলাকাবাসী। মুখে সাদা দাঁড়ি, মাথায় থাকে টুপি আর পাঞ্জাবি পরিচয় দেয় হাজী সাহেব বলে। নাসিক ২৪ নং ওর্য়াডের জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক হাজী শাহাজালাল ( যাকে এলাকার লোকজন বাটপার) শাহাজালাল নামে চিনে। ১৭ বছর ওসমান পরিবারের দোসর ও দাপটে অবস্থান ভূমিকা ছিল আকাশচুম্বী। কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পেত না। তার বিপক্ষে কথা বললে ওই লোকের উপর শুরু হত নানামুখি অত্যাচার। শারিরীক ও মানসিক নির্যাতনের পর থানা পুলিশের ভয় দিখিয়ে টাকাও নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের নামের উপর বর করে ধরাকে সরা ঞ্জান করা ছিল হাজী শাহাজালালের কাজ।
সূত্রে প্রকাশ, নাসিক ২৪ নং ওর্য়াড বন্দরের বক্তারকান্দী এলাকার শাহাজালাল ওরফে বহুরূপী আতংকের অপর নাম ট্রান্সপোর্ট, ভূমিদস্যু অনেকে সুদী শাহাজালাল নামে পরিচিত। ট্রান্সপোর্ট গাড়ীর ব্যবসার অন্তরালে এমন কোন হীন কাজ নেই৷ যা তার দ্বারা অসম্ভব। টাকা, নিজের অবস্থান জাহির করার ক্ষেত্রে যেখানে যা প্রয়োগ করার তাই করতেই। স্বৈরাচারী সরকারের শেষ সময়ে যাত্রাবাড়ী থেকে তার গাড়ি ড্রাইভার ‘ আবুল মিয়া’ কে তুলে নিয়ে আসে৷ তার বক্তারকান্দীর বাড়িতে ৩ দিন আটক রেখে অমানবিক নির্যাতন করে। তার স্ত্রী ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিয়ে বন্দর থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক মোঃ মফিজুল ইসলামকে নিয়ে গেলে শাহাজালালসহ তার পেটোয়া বাহিনী কৌশলে পালিয়ে যায় আবুল হোসেনকে রাস্তায় ছেড়ে। ঘটনার পরেরদিন শাহাজালাল বন্দর থানায় গিয়ে দলীয় প্রভাবখাটিয়ে মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে বিশাল মাপের অপপরাধকে ধামাচাপা দেয়। ৫ আগস্টে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের সাথে সাথে ভোল্ট পাল্টিয়ে কৌশলে অগ্রসর হয়। সেই শাহাজালাল ওসমান পরিবারের দোসর এখন বিএনপির নেতা ও পদের জন্য বিভিন্ন নেতাকে ম্যানেজ করে পূর্বের চেয়ে বর্তমানে বেশ দাপটে অবস্থানে। বিএনপির ত্যাগী নির্যাতিত, নিপীড়নের শিকার হয়েও যারা শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ছাড়া অন্য কিছু বুঝে না। তাদের উপরই দোসরের মূল টার্গেট।
ত্যাগী নির্যাতিত বিএনপির একাধিক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভাই বলে আর কি করবো। দেশের রাজনীতি এখন তোষামোদকারী, তেলবাজ, টাকাওয়ালাদের হাতে। যারা বিগত ১৭ বছর ওর নানামুখি অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। আর ওকে হাজী বলে কে?? শাহাজালাল একজন চিহৃত প্রতারক ওসমান পরিবারের দোসর ভূমিদস্যু, সুদী, গাড়ীর ব্যবসার নামে নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল। আমাদের যেভাবে জিম্মি করেছিল তা নেতারা দেখে, জেনেও দালাল শাহাজালালকে গুড বুকে নিয়েছে। আমাদের উপর শুরু করেছে পূর্বের চেয়ে বেশি অত্যাচার। শাহাজালালের ভূমিকা দেখে মনে হয় বিএনপির বিশাল মাপের নেতা। জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বাটপার শাহাজালাল বিএনপির নেতা হয়ে গেছে। নেতারা ওর মত বিস্ফোরাকে দলে নিয়ে মূল্যায়ন করতেছে না, যা বিএনপিকে পুনরায় মেরুদণ্ড ভেঙ্গে ফেলার জন্য যথেষ্ট। ওসমানদের দোসর মাস্টার মাইন্ডার শাহাজালাল কৌশলে বিএনপির ত্যাগীদের টার্গেট করে শুরু করে দিয়েছে কাজ। ট্রান্সপোর্ট, ভূমিদস্যু, সুদী শাহজালালের মনে মিশন ষোলআনা। যেখানে ওর মত শাহাজালালের ভয়ে বিএনপির ত্যাগীরা কথা বলতে সাহস পায় না।৷ সেখানে প্রতিনিয়ত দাপটে অবস্থানে যাচ্ছে দোসর শাহাজালাল আর পথ হারা পথিকের ন্যায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে সরকার দলের রাজপথের নেতারা। অনেকে ইতিমধ্যে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে গিয়ে নীরব হয়ে সমাজে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক শাহাজালাল ভীতিতে ২৪,২৫ নং ওর্য়াড বিএনপির নেতারা হতাশ হয়ে পড়ছে। ফ্যাসিস্ট দোসর শাহাজালালের সার্বিক বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিকভাবে ভাবে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা ও মহানগর বিএনপির, শীর্ষ নেতাদের জরুরি কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




