পাচ্ছেনা পুলিশী সহযোগিতা
ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার মুকুন্দী গ্রামের চিহিৃত লেডি সন্ত্রাসী ও লোভী সীমা আক্তারের সাজানো মিথ্যা মামলায় লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে একটি পরিবার।
মামলায় বাদী সীমা আক্তার (৪০), পিতা-মৃত আক্কাছ আলী, মাতা-শাহিদা বেগম, স্বামী-গোলাম মোস্তফা, সাং-মুকুন্দী উল্লেখ করেন, বিবাদী ১। আনোয়ার হোসেন অনু (৫৫), পিতা-মৃত হাফিজ উদ্দিন, সাং-আড়াইহাজার, ২। হাসান আলী ডাকাত (৫০), পিতা-কালু মিয়া, সাং-কৃষ্ণপুরা, ৩। রিংকু (১৮), পিতা-হাসান আলী, সাং-কৃষ্ণপুরা, ৪। মমতাজ (৪৫), স্বামী-হাসান আলী, সাং-কৃষ্ণপুরা, ৫। পারভীন (৪৫), স্বামী-আনোয়ার হোসেন অনু, সাং-আড়াইহাজার, ৬। রাহুল (১৯), পিতা-ডালিম, সাং-মুকুন্দি, ৭। অর্তৃক (২০), পিতা-আনোয়ার হোসেন অনু, সাং-আড়াইহাজার, ৮। মুন্না (১৯), পিতা-মোঃ আলী, সাং-কৃষ্ণপুরা, ৯। শহিদুল্লাহ (২৪), পিতা-সোনা মিয়া, সাং-মুকুন্দি, ১০। জাহানারা বেগম (৪৮), পিতা-কালু মিয়া, সাং-নাগেরচর, ১১। রুবেল (৪৫), পিতা-আঃ হক মুন্সি, সাং-শ্রীনিবাসদী, ১২। তাসনুভা জাহান পারুল (২৮), পিতা-গোলাম মোস্তফা, সাং-মুকুন্দি, ১৩। তাবাসুম জাহান শাহানাজ (২৬), পিতা-গোলাম মোস্তফা, সাং-মুকুন্দি, ১৪। শাহ আলী ডাকাত (৪০), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-মুকুন্দী, ১৫। সৌরভ (২৪), পিতা-আবু, মুকুন্দি, ১৬। শ্রাবন (২২), পিতা-সুরুজ ডাকাত, সাং-কৃষ্ণপুরা, সর্ব থানা-আড়াইহাজার, জেলা-নারায়নগঞ্জ সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জন বেআইনী জনতাবদ্ধে অনধিকার বসতবাড়ি ও ঘরে প্রবেশ করিয়া চাঁদা দাবী করত হত্যার উদ্দেশে মারপিট করিয়া সাধারণ ও গুরুতর রক্তাক্ত জখম , শ্লীলতাহানী ও চুরিসহ হুমকি প্রদান করিলে অফিসার ইনচার্জ সাহেব আড়াইহাজার থানার মামলা নং-৩২ তারিখ-১৪/০৫/২৬ ধারা ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩০৭/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩৫৪/৩৭৯/৩৮০/৩৮৫/৫০৬ পেনাল কোড রুজু করেন। আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ এবং এসআই জহিরুল ইসলাম তদন্ত না করেই মামলার রেকর্ড করেন।
এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জমির মালিক ও সীমার মামলার আসামী তাসনুভা জাহান পারুল বলেন,আড়াইহাজার থানা পুলিশ লেডিস সন্ত্রাসী সীমা আক্তারের পক্ষ নিয়ে কাজ করছে।
২৫ বছর আগে আমার পিতা ডাঃ গোলাম মোস্তফা আদালতের মাধ্যমে পারিবারিক আইন মোতাবেক তালাক দেন। পরে সীমা আক্তার মনির নামে একজনকে বিয়ে করেন। মনির লেডি সন্ত্রাসী সীমাকে তালাক দিলে তিনি আড়াইহাজার থানা পুলিশের সহযোগিতায় আমাদের দুই বোনের জমি দখল করতে বাড়িতে উঠে।
তারপর থেকে একের পর এক ষড়যন্ত্র করতে থাকে। কয়েকদিন আগে আমাদের দুই বোন সহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে।
সেই মামলায় জেলা বিএনপি সাবেক অর্থ সম্পাদক ও বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন অনু এবং আমার ছোট বোন শাহনাজকে আটক করে থানা পুলিশ।
কান্না জড়িত কন্ঠে পারুল বলেন,স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ও তার ভাই রাকিব লেডি সন্ত্রাসী সীমা আক্তার কে শেল্টার দিচ্ছে যার একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সীমা আক্তার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত হতে আমার বোন,বাবা ও দাদীকে এবং মিথ্যা মামলা,সম্পত্তি দখল মুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নারায়নগঞ্জের পুলিশ সুপারের নিকট জোর দাবী জানান তাসনুভা জাহান পারুল।




