জাগো নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলিটেক ইউনিয়নের ক্রোকেরচর গ্রামে মুছা হত্যার ঘটনা ৩১ লাখ টাকায় রফাদফা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩০ মে) আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত দেন দরবার চলে।
আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাকির হোসেন চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে দেন দরবার চলে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজ মাদবর রহমতউল্লাহ,কামাল মাদবর, আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রওশন আলী,আব্দুল ওয়াহাব সরকার, শাহীন রাজু,আব্দুল মান্নান ভেন্ডার সহ অন্যান্য মেম্বার সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জুরি বোর্ডের সদস্য রহমতউল্লাহ মুঠোফোনে গাঁ বাঁচিয়ে বলেন,আমি একা ছিলাম না।অনেকে ছিল।দু পক্ষের লোক ছিল।কত টাকায় রফাদফা করলেন এ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান।
হত্যা মামলা রফাদফার মূলহোতা স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার রওশন আলীর মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
৭নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল ওয়াহাব সরকার শালিশীর কথা স্বীকার করে বলেন,ভাই কোন সমস্যা।
৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার হাজ্বী মোক্তার হোসেন বলেন,চেয়ারম্যান বিচার করছে।আমি পরিষদের বাইরে ছিলাম।
উল্লেখ্য প্রায় ১ বছর আগে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিবেশীর ইটের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়।হাসপাতালে নেওয়ার পথে মুছার মৃত্যু হয়।




