নারায়ণগঞ্জ | | |
  সর্বশেষঃ
শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে প্রায় ৯ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ
আমতলীতে সাত মামলার আসামি চম্পা গ্রেপ্তার
সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ফতুল্লায় খসরু-মজিবরের ছত্রছায়ায় নাদিম-সোহেলের রমরমা মাদক ব্যাবসা
বকশীগঞ্জে যুবদলের  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা
সোনারগাঁয়ে বাসের সিটে মিলল ২৩ হাজার ইয়াবা, আটক ৩
পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল মাদকসহ গ্রেপ্তার ৮৫
‘আমি তোমার যত্ন নেব’ বলেই ‘ধর্ষণ’ করেন ট্রাম্প -অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের
নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি, আবার কি বাড়বে?
আমতলীতে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
লক্ষ্মীনারায়ণ ম‌ন্দি‌রের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নতুন স্থাপনা নির্মা‌নের ‌নি‌ষেধাজ্ঞা – রাজস্ব সা‌র্কেল
 নারায়ণগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
আমতলী থানার শ্রেষ্ঠ ওসি ইয়াকুব হোসাইন
ফতুল্লায় চুনোপুঁটি আসমা গ্রেপ্তার, অধরা শীর্ষ মাদক সম্রাট মনু সাধু
ফতুল্লায় স্ত্রী-ছেলেকে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামি কক্সবাজারে গ্রেপ্তার
সিদ্ধিরগঞ্জে ইজি বাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের
 শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
বন্দরে উদ্বোধনের আগেই গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ১৬ লাখ টাকার শৌচাগার!
সিদ্ধিরগঞ্জে বাসেদ পাইকের বিরুদ্ধে ডিসি-এসপি বরাবর অভিযোগ
ফতুল্লায় স্বামীর বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ৮৩
ফতুল্লায় পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধুকে হত্যা,টাকা-স্বর্নালংকার লুট
বন্দরে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাই ও হাত-পায়ে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মামলা
ফতুল্লায় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক রাসেলকে খুনের হুমকি
সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান এলাকাবাসীর
ফতুল্লায় কিশোরীকে গণধর্ষণ, ডিএমসিতে প্রেরন
লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের প্রবেশগেটে নতুন তালা, দুই পক্ষকে চাবি হস্তান্তর
দেশে গোয়েন্দা সংস্থা কি এখনো রাজনৈতিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে?
সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-২৬
Next
Prev
প্রচ্ছদ
ফলের বাজারে বিষের থাবা, নেপথ্যে কারা?

ফলের বাজারে বিষের থাবা, নেপথ্যে কারা?

প্রকাশিতঃ

রাজধানীর বাজারগুলো ভরে উঠেছে নানা মৌসুমি ফলে। প্রকৃতির এই রঙিন উপহার শুধু স্বাদের জন্য নয়, পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবেও মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন ফলের মৌসুম মানেই অনেকের মনে আতঙ্কও কাজ করে। কারণ বাজারে মৌসুম শুরুর আগেই দেখা মিলছে অস্বাভাবিকভাবে চকচকে হলুদ আম, টকটকে লাল লিচু কিংবা বাহারি রঙের নানা ফলের, যেগুলোর বড় অংশই রাসায়নিক দিয়ে পাকানো। তথ্যসুত্রঃ যুগান্তর

দ্রুত লাভের আশায় গাছে থাকা অবস্থায় এবং সংগ্রহের পর ইথোফন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, বিভিন্ন রাসায়নিক ও হরমোন ব্যবহার করে পাকানো হচ্ছে আনারস। কৃষক পর্যায় থেকে শুরু হওয়া এই অনিয়ম পাইকারি বাজার ঘুরে খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণ ভোক্তার হাতে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়-জ্বরের সময় সহজপাচ্য ও ভিটামিনসমৃদ্ধ ফল হিসাবে শিশু থেকে বয়স্ক অনেকেই নিয়মিত আনারস খেয়ে থাকেন। কিন্তু সেই আনারসই শরীরে প্রবেশ করাচ্ছে ‘বিষ’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব রাসায়নিকের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে কিডনি ও লিভারের ক্ষতি, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা এবং ক্যানসারসহ নানা প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

বুধবার কথা হয় রাঙামাটির আনারসচাষি সায়মংয়ের সঙ্গে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, গাছে পাকা আনারস চেনা খুব সহজ। অনেকেই জানেন না বলেই বিষমাখা আনারস কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এবং এসব খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। তিনি জানান, আনারস গাছে থাকা অবস্থায় পুরোপুরি হলুদ ও টসটসে হয় না। সবুজই থাকে। আনারসের গায়ে কিছুটা হলুদ রঙ আসে। তাও খুব সামান্য। কিন্তু ক্রেতা আনারস কিনতে গেলে টসটসে হলুদ দেখে কিনতে চান। বিভিন্ন রাসায়নিক ও হরমোন দিয়ে এমন রং ও মোটাতাজা করা হয়। যা নির্দিষ্ট মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু অনেকেই এর ব্যবহার সম্পর্কে জানেন না। তাই তারা তাদের খেয়ালখুশিমতো বিষপ্রয়োগ করছে। এমনকি বিষপ্রয়োগের পরপরই গাছ থেকে আনারস তুলে ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করে দেয়। আর এই আনারস পাইকারি পর্যায় হয়ে খুচরা ক্রেতার হাতে চলে যায়। যা খুব ভয়ানক ব্যাপার।

এদিকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও মাঠ প্রশাসনও বলছে বাজারে ভেজালের মাত্রা বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে। মানুষের পাতে ওঠা প্রতিদিনের এসব খাবারের সঙ্গেই মানবদেহে ঢুকছে ‘বিষ’। মাছ, মাংস, ফল, মসলায় অতি মুনাফার লোভে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান। শিশুখাদ্য দুধ তৈরি হচ্ছে কেমিক্যাল দিয়ে। জিলাপিতে দেওয়া হচ্ছে হাইড্রোজ। জীবন রক্ষাকারী ওষুধেও মেশানো হচ্ছে ভেজাল। ফ্লেভার এবং কাপড়ে ব্যবহৃত রঙ মিশিয়ে বানানো হচ্ছে ফলের জুস। পাশাপাশি অপরিপক্ব ফল পাকাতে ব্যবহার করা হচ্ছে কার্বাইড ও হরমোন। যা শুধু সাধারণ মানুষই নয়, শিশুসহ অসুস্থ রোগীর পেটেও যাচ্ছে। নিত্যদিনের খাবারে বিষ মেশানো ভেজাল খাবারে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. শামীম আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এখন নীরব ঘাতকে পরিণত হয়েছে। সবকিছু চোখের সামনেই হচ্ছে। এসব খাবারে শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। বিষমিশ্রিত খাবার মানুষের পেটে গিয়ে হজমে সমস্যা থেকে শুরু করে পাতলা পায়খানা ও ক্যানসারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। ভেজাল খাবার লিভার ও কিডনির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট করে ফেলছে।

নয়াবাজারে আনারস কিনছেন মো. শাহ আলম। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমার চার বছরের মেয়ের জ্বর। তাই বাজারে আনারস কিনতে এসেছি। সব আনারসই টসটসে হলুদ ও পাকা। বিক্রেতারা বলছেন এটা গাছপাকা। কিন্তু এই আনারসে কোনো মাছি বসে না। তাই বোঝাই যায় এতে ঝামেলা আছে। আনারসের মাথা ভেঙে কোনো গন্ধ পাওয়া যায় না। কী করব, যা আছে তাইতো নিতে হবে।

ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান সিরাজাম মুনিরা যুগান্তরকে বলেন, যে খাবার থেকে রোগীর সুস্থতার জন্য পুষ্টি পাওয়ার কথা, সেই খাবারেই মিশে থাকে ভেজাল, ক্ষতিকর রাসায়নিক, অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক বা ভারি ধাতু। শিশুরা বিষমাখা খাবার খাওয়ার ফলে বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি, সংক্রমণ ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। এসব খাবারে ক্যানসার, কিডনি ও লিভারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

জানতে চাইলে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, খাদ্যে বিষ ও ভেজাল রোধে সরকার ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৫, নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ প্রণয়ন করেছে। এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনেও খাদ্যে ভেজাল দেওয়া ও বিক্রির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু এসব আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় জনগণ ভেজাল খাদ্যের জালে আটকে গেছে। তিনি বলেন, তদারকি সংস্থার জনবল বাড়িয়ে মাঠপর্যায় থেকে শুরু করে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত কঠোরভাবে তদারকি করতে হবে। অনিয়ম পেলেই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এতে ভোক্তা স্বস্তি পাবে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি) ড. মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, আমরা বাজার থেকে পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে টেস্ট করি। সেখানে ভেজাল পেলে ওইসব পণ্য বিক্রেতাদের চিঠি দেই। আবারও নমুনা সংগ্রহ করে ফলোআপ করি। যদি দেখি পণ্যে ভেজাল আছে সেক্ষেত্রে অসাধুদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

 

এ সম্পর্কিত আরো খবর

সম্পাদক মন্ডলীঃ

মোঃ শহীদুল্লাহ রাসেল

প্রধান নির্বাহীঃ

মোঃ রফিকুল্লাহ রিপন

সতর্কীকরণঃ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
সকল স্বত্ব
www.jagonarayanganj24.com
কর্তৃক সংরক্ষিত
Copyright © 2024

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ

বনানী সিনেমা হল মার্কেট
পঞ্চবটী ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
ফোন নম্বরঃ ০১৯২১৩৮৮৭৯১, ০১৯৭৬৫৪১৩১৮
ইমেইলঃ jagonarayanganj24@gmail.com

Website Design & Developed By
MD Fahim Haque
<Power Coder/>
www.mdfahim.com
Web Solution – Since 2009

error: Content is protected !!