ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চার কেজি গাঁজাসহ আসমা বেগম (৩৭) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্রের নেপথ্যে থাকা মূল হোতা ও চিহ্নিত শীর্ষ মাদক সম্রাট মনু সাধু এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছেন।
গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকার গুদারাঘাট টোল আদায়ের ঘরের সামনে থেকে অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসমা বেগম সোনারগাঁ থানার নয়াপুর এলাকার মৃত আবু কালামের মেয়ে এবং ইলিয়াসের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের একটি দল ধর্মগঞ্জ গুদারাঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় আসমা বেগমকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এদিকে এলাকা জুড়ে আলোচনা ও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে গ্রেপ্তারকৃত আসমা বেগম কেবলই একজন বাহক বা খুচরা বিক্রেতা হিসেবে কাজ করতেন। এই পুরো সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রক ও ডিলার হলেন ফতুল্লার আনন্দবাজার ও বক্তাবলী এলাকার শাইজুদ্দিন বেপারীর ছেলে শীর্ষ মাদক সম্রাট ‘মনু সাধু’।
মনু সাধুর অধীনে আসমা বেগমসহ একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা, বক্তাবলী ও আশপাশের এলাকাগুলোতে মাদকের জাল বিস্তার করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, কেবল চুনোপুঁটি বা বাহকদের গ্রেপ্তার করে এলাকাকে মাদক মুক্ত করা সম্ভব নয়। মূল হোতা মনু সাধুকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে ফতুল্লা ও বক্তাবলী এলাকায় মাদকের এই ভয়াবহ আগ্রাসন বন্ধ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। তাঁরা অনতিবিলম্বে মূল চক্রের হোতা মনু সাধুকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




