ষ্টাফ রিপোর্টার:
আগামীকাল ৩০ মে আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার, সফল রাষ্ট্রনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকীতে তাঁর অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী তাতীদল নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল।
এক বার্তায় জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী তাতীদল নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল জানান,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউররহমান ছিলেন “মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পূণ:প্রবর্তনকারী। শহীদ জিয়ার মহান আদর্শ, দর্শন ও কর্মসূচি আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহতকরণ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং দেশীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির রক্ষাকবচ।
তিনি আরও বলেন, জীবদ্দশায় জাতির চরম দুঃসময়গুলোতে জিয়াউর রহমান দেশ ও জনগণের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন। মহান স্বাধীনতার বীরোচিত ঘোষণা, ৭১’ এর মরণপন লড়াই এবং রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাঁর অনন্য অবদান আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। ৭১’ সালের প্রারম্ভে সারা জাতি যখন স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, অথচ রাজনৈতিক নেতৃত্বের দ্বিধা ও সিদ্ধান্তহীনতায় দেশের মানুষ দিশেহারা, ঠিক সেই মুহুর্তে ২৬শে মার্চ মেজর জিয়ার কালূরঘাট বেতার কেন্দ্রে স্বাধীনতার ঘোষনা সারা জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের অভয়মন্ত্রে উজ্জীবিত করে, ফলশ্রুতিতে দেশের তরুণ, ছাত্র, শ্রমিক, যুবকসহ নানা স্তরের মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হানাদার বাহিনীর ধ্বংসের শক্তিকে প্রতিহত করে দেশবাসী বিজয়ের দিকে ধাবিত হয়।
তিনি আরও বলেন,এই মহান জাতীয়তাবাদী নেতার জনপ্রিয়তা দেশী-বিদেশী চক্রান্তকারী শক্তি কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই দেশবিরোধী চক্র তাঁর বিরুদ্ধে শুরু করে গভীর ষড়যন্ত্র। এই চক্রান্তকারীরা ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে একজন মহান দেশপ্রেমিককে দেশবাসী হারায়।
আমি মহান এ নেতার ৪৫তম মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধারতরে স্বরন করছি এবং মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন তাকে জান্নাতের সর্ব্বোচ্চ মাকাম দান করুক আমিন।




