বন্দর প্রতিনিধি // বন্দরে বিএনপির রাজনীতিতে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। বিএনপির আদর্শের রাজনীতি করতে গিয়ে জান- মালসহ নানা প্রকার অযাচিত অশোভন আচারন সহ্য করে দিন কাটিয়েছে। বিগত প্রায় ২০ বছর পর বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। সরকার ক্ষমতায় অবমূল্যায়ন হচ্ছে স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে হামলা, মামলা, প্রশাসনিক নির্যাতন সহ্য করেছে। সেই ত্যাগী, হামলা, মামলা, বাড়িঘরে হামলার শিকার, বিভিন্ন মেয়াদে কারাবরণ করেছে। রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে চর্থুরমুখী চাঁপের মুখে নিজ এলাকায় যেতে পারেনি এমনই নেতার সংখ্যা অনেক। সংগঠনের আদর্শের রাজনীতি করতে গিয়ে নানামুখী নির্যাতন সহ্য করেছে যে প্রবীন নেতারা। সেই ত্যাগী ও প্রবীন নেতারা হাইব্রিড, ফেইসবুক নব্যদের চাটুকারিতায় নেতার কাছে ভীরতে না পারার আফসোস যেন দীর্ঘ হচ্ছে। মনের ভেতরে থাকা হাজারো দুঃখ তাদের অভিভাবক স্থানীয় সাংসদ এড আবুল কালামের সাথে শেয়ার করতে না পারার দুঃখ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। নব্য ও হাইব্রিড, ফেইসবুক নেতাদের বিরুদ্ধে সিনিয়র নেতাদের অভিযোগ না থাকলেও ক্ষোভ রয়েছে। ত্যাগী আপোষহীন নেতাদের(সিনিয়র) সম্মানতো দূর্রের কথা, নেতার সামনে যাওয়ার কোন উপায় থাকে না। বর্তমান বিএনপির রাজনীতিতে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। এর সারি প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়তা ও সাংগঠনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সাংসদ এড আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশার জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সূত্র মতে, স্বৈরাচারী সরকারের সেই দেখানো পথেই হাটছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এমপি, মন্ত্রী ও নেতারা আখের গুছিয়ে কর্মী শূন্য জনগনের মাঝে অনেকটা আতংক ছিল। যার ফলসূতিতে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর আখের গুছানোরা কেউ দেশ ত্যাগ, কেউ অল্প কয়েকদিন আত্নগোপনে গিয়ে আতাত করে ক্ষমতা সীন দল বিএনপির নেতাদের সাথে। দীর্ঘদিনের গুছানো ব্যবসা বাণিজ্যসহ সার্বিক অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো বিএনপি নেতারা তাদের অবস্থান করে নিলেও ত্যাগী, বিগত ফ্যাস্টিট সরকারের সময়ে হামলা, মামলা, কারা নির্যাতিত ও জুলাই যোদ্ধাদের মূল্যায়ন না করার অভিযোগ ত্যাগীদের। সকল সেক্টর পূর্বের নিয়মে চলছে, শুধু পরিবর্তন মুখোশ। অর্থ উর্পাজনের মুহে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি কর্মীদের অবমূল্যায়ন, স্বৈরাচারী সরকারের নেতাদের সাথে আতাত বিশিয়ে তুলছে।
সূত্র মতে, নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতন হয়েছে। অন্তভর্ত্তিকালীন সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেয়। নির্বাচনে জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা প্রতীক ধানের শীষ বিএনপি সরকার গঠন করে। দল ক্ষমতায় দূর্ভোল হচ্ছে সংগঠন। নেতারা পূর্বের দেখানো সেই পথে হাঠছে, অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে ত্যাগী, হামলা, মামলার শিকার কর্মী বাহিনীকে। যা কোরবানি ঈদের হাটের বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে৷ কর্মীদের নানামুখী পোস্ট দেখা মিলেছে। তাহলে সেই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ পরিনত হতে যাচ্ছে। সংগঠনের মূল প্রাণশক্তি বা অক্সিজেন হলো কর্মী ও জনগন। সেই অক্সিজেন ( কর্মী) সংকটে পড়তে যাচ্ছে বিএনপি। বিএনপির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর হুশিয়ারি ও বার্তা থাাকলেও কৌশলে নেতারা ডোন্ট কেয়ার। জনগন, কর্মীবাহিনীকে নিয়ে সংগঠনকে গতিশীল করতে নির্দেশ থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন। বিএনপি ক্ষমতায় প্রায় সাড়ে ৪ মাস। স্বৈরাচারী সরকারের ১৬ বছরে যতটুকু জনবিচ্ছিন্ন ও কর্মী শূন্য মেরুদণ্ডহীন সংগঠনে রুপ নেয়। তাদের সেই দেখানো পথে হেটেই বিএনপি মাত্র সাড়ে ৪ মাসে কর্মীবাহিনী হারাতে বসছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিএনপির রাজনীতিতে কর্মী ও জনগনের আস্থা হারাতে বসছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে যারা ঘরে ঘুমাতে পারেনি। হামলা, মামলা, প্রশাসনিক হয়রানি ও নির্যাতনে সব কিছু হারিয়ে দিশেহারা। ক্ষমতাসীন দলের ( বিএনপির) নেতারা সেই দোসরদের সাথে গোপন আতাতুর্কের হাতে হতাশা ও দিশেহারা হয়ে পড়ছে। নেতাদের আতাত, ত্যাগী, কারা নির্যাতিত, আপোষহীন নেতা, কর্মীদের বুকে ক্ষোভের সঞ্চয় হচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটের বিএনপির রাজনীতিতে ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন আর ভীরতে না পারার আফসোস নিয়ে দিন কাটাচ্ছে। দলের সাংগঠনিক অবস্থা ফেরত আনতে নারায়ণগঞ্জ – ৫ আসনের সাংসদ এড আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশার কঠোর ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দূর্রদিনের ত্যাগীরা।



