জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতাদের ওপর গোপালগঞ্জে হা’ম’লার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গন অধিকার পরিষদ নারায়ণগঞ্জ মহানগর।
সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আরিফ ভূইয়া ও সেক্রেটারি রুহুল আমিন রাহুল এক যৌথ বিবৃতিতে এই হামলাকারীদের ‘স্বৈরাচারের দালাল’ আখ্যায়িত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি দাবি করেন। নেতৃদ্বয় বলেন, “গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অধীন একটি জেলা। অথচ আজ সেখানে হাজার হাজার খুন, গু’ম ও দু’র্নী’তির পৃষ্ঠপোষক শক্তির পক্ষ নিয়ে প্রকাশ্যে দেশপ্রেমিক ছাত্রনেতাদের অবরুদ্ধ করা হয়েছে, হামলার শিকার করা হয়েছে—যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও লজ্জাজনক।
” তারা আরও জানান, এনসিপি নেতারা জুলাই মাসজুড়ে দেশব্যাপী পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করছেন এবং সর্বত্র সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে তারা গোপালগঞ্জে গেলে সেখানে হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নেতারা। “প্রশাসনের দায়িত্ব ছিলো পরিস্থিতি অনুধাবন করে আগেভাগেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা,” বলেন ইঞ্জিনিয়ার আরিফ ভূইয়া। “কিন্তু আজকের ঘটনা প্রমাণ করেছে, প্রশাসন চরমভাবে ব্যর্থ।
বিশেষ করে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার ও অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন জরুরি।” সরকারের উদ্দেশে সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন রাহুল বলেন, “অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির এই সময়ে হামলাকারীদের দুঃসাহস প্রমাণ করে, স্বৈরাচারীদের বিচারে দীর্ঘসূত্রতা কীভাবে অ’প’রা’ধীদের সাহস বাড়িয়ে দেয়। ঢাকায় কেবল কয়েকজনকে বিচারের আওতায় আনলেই চলবে না, সারা দেশেই যেসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বৈরতন্ত্রের সাথী ছিল—তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “জাতি আর এমন ব’র্ব’রতা দেখতে চায় না। সরকারের উচিত অবিলম্বে এসব হামলার নেপথ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর শা’স্তি নিশ্চিত করা।”




