ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জের বন্দরের ঈমান আলীর ছেলের বে-ঈমানী কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। বে-ঈমানী আক্তার এক সময়ের নৌকার মাঝি এখন বিশাল অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছে। উত্তর লক্ষন খোলার ঈমান আলী সরদারের ছেলে আক্তার মিয়া জিরো হিট থেকে হিরু। ২০০০ সালেও তার বাড়িতে ছনের ঘর ছিল কিন্তু বর্তমানে সে ৭-৮ টা বাড়ির মালিক। তার আয়ের উৎস দিন নৌকার মাঝি। বর্তমানে সে ব্লেকের তেলের ব্যবসা করে অছেন প্রাচুর্যের মালিক বনে গেছে। তার চোরাই তেলের অনেক গুলো গোডাউন রয়েছে যেগুলো তার বিভিন্ন বাড়ি এবং ঢাকেশ্বরী মিলস স্কুল এন্ড কলেজের প্রবেশ পথের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। এ শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিমপাড়ের চোরাই তেল সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকার একং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখার কারনে অনুপ মেখ তার চোরাই তেলগুলোর একটা বিরাট অংশ এ আক্তারের নিবাট বিক্রয় করে, আক্তার চায় তেল গুলো বন্দর থানার আওতায়, দাসের গা, রাস্তা লাঙ্গলবন্দ, কাইকারটেক, মদনপুর, নবীগঞ্জের প্রতিটি দোকান ও ইটের ভাটার সাপ্লাই করে। ২৮/৮/২০১৯ ই তারিখেও রেব আক্তার মিয়াকে চোরাই তেলসহ আটক করে যার মামলা এখন ও চলমান। বর্তমানে আক্তার মিয়া ও তার ছেলে জোবায়ের তেল চুরির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া তেল চুরির ব্যবসায় আক্তার হোসেন এখন তার ছেলে জোবায়েরকে সক্রিয় করে ব্যবসা বুঝিয়ে দিচ্ছে। প্রতি রাতেই চলে তার তেল চুরির মহোৎসব। প্রশাসনের রহস্যময় নীরবতা অনেকটা বিশিয়ে তুলছে সচেতন মহলকে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে ক্ষোভ জারেন, বলেন আপনাদের বলে কি হবে? প্রশাসন চাইলে ২৪ ঘন্টা সময় লাগে না। কে বা কারা এর প্রতিবাদ করবে। যেদেশের মূল যন্ত্র প্রশাসন নীরব, সেখানে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করা যায় না।
জেলা পুলিশ সুপার, র্যাব -১১ এর জরুরি কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।




