ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) ব্যবসায় এখনও সক্রিয় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র হত্যা, বিস্ফোরক আইন ও মাদক মামলার আসামি নোয়াখাইল্লা সোহেল ও তার সহযোগীরা। নোয়াখাইল্লা সোহেল নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। বর্তমানে বার্মাশীলের নব্য বিএনপি নেতা ইরফান ভূঁইয়ার শেল্টারে গত ০৫ আগস্টের পর সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে আদমজী ইপিজেডের হামজা ফ্যাশন, পলমল গ্রুপের আয়শা ফ্যাশন,ওডিন টেক্স নামক ফ্যাক্টরীতে ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসর নোয়াখাইল্লা সোহেল ও তার সহযোগী জামান জুয়েলার্সের স্বর্নকারের মালিকের ছেলে একাধিকবার গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী জনি। তার নেতৃত্বে প্রায়ই ইপিজেডে চলে সন্ত্রাসী মহড়া।
যেকোনো সময় সংঘর্ষ ও নাশকতার আশঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষোভ জানিয়ে অভিযোগ করে বলেন, গত ০৫ আগষ্টের আগে আদমজী ইপিজেডে স্বৈরাচার সরকারের বাহিনী সক্রিয় ছিলো। কোনো বিএনপি নেতাকর্মী ইপিজেডে ব্যবসা তো দূরের কথা ইপিজেডের ভেতর প্রবেশ করতে পর্যন্ত পারেনি। আর এখন কতিপয় নব্য বিএনপি নেতাদের সাথে আতাত করে আওয়ামী লীগের দোসর নোয়াখাইল্লা সোহেল ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র হত্যা মামলা থাকলেও তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল বারিক পিপিএম বার বলেন, কোনো আসামির বিরুদ্ধে বৈষম্য মামলা থাকলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা থাকলে থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করবে। কোনো আসামির সাথে পুলিশের কোনো সুসম্পর্ক নেই।




