সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকার মূর্তিমান আতঙ্ক ও শীর্ষ মাদক সম্রাট বাবলা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলা ও মাদক মামলায় জামিনে এসে সিদ্ধিরগঞ্জজুড়ে মাদক বিক্রিতে এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। একাধিক হত্যা ও মাদক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাকে দমানো যাচ্ছে না। ডজনেরও বেশি মামলার এই আসামি প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে সখ্য বজায় রেখে বীরদর্পে মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশিং কার্যক্রম শিথিল থাকার কারনে তাঁদের মাদকদ্রব্য বেঁচা-কেনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। হাত বাড়ালেই মাদক সম্রাট বাবলা বাহিনীর কাছে পাওয়া যাচ্ছে মরন নেশা ইয়াবা -হেরোইন-ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। বাবলা ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও থেমে নেই তাদের মাদক ব্যবসা। সম্প্রতি মাদক বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় মোস্তাক (৪৫) নামে এক নাপিতকে কোপানোর ঘটনায় প্রধান আসামি মাদকব্যবসায়ী বাবলা। বর্তমানে বাবলা জামিনে এসে এলাকায় পুনরায় আবির্ভূত হয়ে একক মাদক সাম্রাজ্য কায়েম করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ।এলাকাবাসীর অভিযোগ, থানা পুলিশের এক অসাধু এসআই কর্মকর্তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কারণে বাবলা বাহিনী বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে। অনেক সময় বাবলাকে সেই কর্মকর্তার সাথে ঘুরতে দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, অভিযানের খবর আগেই তার কাছে পৌঁছে যায়। এদিকে অনুসন্ধানে জানা যায়, বাবলা বাহিনীর মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা তার ভাই মিঠুন। এছাড়াও এ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রয়েছে পিচ্চি, আরমান সহ আরো অনেকে। এলাকাবাসীর দাবি জামিনে বেরিয়ে এসে পুরো সিদ্ধিরগঞ্জ জুড়ে মাদকের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বাবলা। আদমজী বিহারী ক্যাম্পকে মাদকমুক্ত করতে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এই শীর্ষ মাদক সম্রাট ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।




