নিজস্ব সংবাদদাতা // দলের সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে অর্থখড়ি উপার্জনের জন্য রাজনীতি না। রাজনীতি এখন ৩ শ্রেণীর লোকের কাছে জিম্মি। নব্য হাইব্রিড, ফেইসবুক, চাটুকারিতাদের জন্য দলের সাংগঠনিক ভীত প্রতিনিয়ত দূর্বল হচ্ছে। রাজনীতি করতে এখন আর মনে চায় না, নব্য ও হাইব্রিডদের কারনে ত্যাগীরা কোনঠাসা হয়ে পড়ছে। নব্য হাইব্রিডদের কারনে আদর্শের রাজনীতি করতে গিয়ে নূন্যতম সম্মানটুকু দেয়া শিখেনি। ওরাই দলের জন্য মহা বিপদজনক উল্লেখ করে মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি আহমেদ আলী একান্ত আলাপচারিতা নিজের মনে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়েও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অনেকটা আক্ষেপ নিয়ে বলেন, রাজনীতি করি সমাজ ও দেশের ভালো কিছু করার জন্য। নিজের আখের গুছানোর নাম রাজনীতি না। দলের সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে অর্থখড়ি উপার্জনের জন্য রাজনীতি না। রাজনীতি এখন ৩ শ্রেণীর লোকের কাছে জিম্মি। নব্য হাইব্রিড, ফেইসবুক, চাটুকারিতাদের জন্য দলের সাংগঠনিক ভীত প্রতিনিয়ত দূর্বল হচ্ছে। বিগত প্রায় ২০ বছরের বেশিরভাগ সময় ত্যাগ স্বীকার করেছে এখন নব্যদের ভীরে আপোষহীনরা ভীরতে পারে না। সিনিয়রদের সম্মান টুকু করা শিখেনি ওরা দল ও সংগঠনের জন্য চরম বিস্ফোরক। আদর্শের রাজনীতি করতে গিয়ে জীবনের যৌবন শেষ করেছি। বিগত প্রায় ২০ বছর স্বৈরাচারী সরকারের নানামুখি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পরিবারসহ সন্তানদের সময় দিতে পারিনি।
বিএনপি ক্ষমতায় আপনি একজন পরিক্ষিত নেতা এমন প্রশ্নের জবাবে আহমেদ আলী বলেন পরিক্ষিত ত্যাগী, আপোষহীনদের কোনঠাসা করে রেখেছে নব্য হাইব্রিডরা। ৫ আগস্টের আগেও যারা স্বৈরাচারী সরকারের ব্যানারে সর্বত্র দাবড়িয়ে ছিল৷ যাদের জন্য বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সাথে সময় দিতে পারিনি। বাাড়িতে আসলে রাস্তায় নিজের লোক দাড় করিয়ে প্রবেশ করলেও দ্রুততম সময়ে বের হয়ে যেতে হয়েছে।
রাজনীতিতে কত বছর যাবত সক্রিয় এমন প্রশ্নে এ নেতা বলেন, আরে ভাই আপনারা সাংবাদিক জাতির দর্পন /আয়না। রাজনীতির বয়স কি এখন আর চলে। নব্য হাইব্রিড ও চাটুকারিতাদের জন্য নিজের উপর রাগ হয়। কেন বা কি কারনে রাজনীতি করবো। সংগঠন, কর্মী ও সমাজের কাজে আসতে না পারলে রাজনীতি করে বেসামাল পরিস্থিতির মোকাবেলায় পড়তে হচ্ছে।
৯০ দশকে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতিতে সর্ট প্যান্ট পড়ে মিছিলে যেতাম। ১৯৯৭ সালে সোনাকান্দা ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক। ৯৭ সালেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হই। এরপর পৌর ছাত্রদলের সহ সভাপতি, ২০০২ সালে সোনাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচনের মাধ্যমে হই। ২০০৯ সালে বন্দর থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ২০১০ সালে পৌর যুবদলের প্রতিষ্ঠিতা সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করি। পৌরসভা বিলুপ্তর পর ২০১৩ বন্দর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ভোটের মাধ্যমে নির্নাচিত হই।
মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি আহমেদ আলী আরো বলেন, রাজনীতি করি আদর্শের। সামাজিক সংগঠনের সাথে আল্লাহ রেখেছে। মানুষের কল্যানে কাজ করতে হলে মনমানসিকতা থাকতে হবে। একজন নেতা বা মানুষ যদি মন থেকে চায় কিছু করতে তাহলে আল্লাহ রহমতে তা সম্ভব। যেহেতু দল ক্ষমতার আসনে জনগণের চাহিদাটা আমাদের কাছে অনেকটা বেশি থাকলেও তা পেরে না উঠার আক্ষেপ।
রাজনীতি এখন আর করতে ভলো লাগে না বললেন, আপনিতো ইচ্ছে করলে রাজনীতি ছাড়তে পারবেন না। রাজনীতি আপনাকে ছাড়বে না। দল ক্ষমতায় বলেই জনগণের দাবীটা আমাদের কাছে আরো বেশি। কিন্তু তা করতে পারছি না। দলের কাউন্সিলে তিনি বন্দর থানা যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী।




