ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা সেহাচর তক্কার মাঠ বাইতুল আমান জামে মসজিদ কমিটি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ও কুতুবপুর ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য মন্টু মেম্বারের গনমাধ্যমকর্মীদের বলেছেন,থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার তো কুতুবপুরের বাসিন্দা নয় তাহলে সে কিভাবে অত্র ইউপিতে অবস্থিত মসজিদ কমিটি নিয়ে নাক গলায় তা আমাদের কারোর বোধগম্য হচ্ছেনা। মসজিদ নিয়ে কোন রাজনীতি নয় মসজিদ হবে এবাদতের অন্যতমস্থান।
শুক্রবার বাদ জুম্মা সেহাচর তক্কার মাঠ বাইতুল আমান জামে মসজিদ এর উপদেষ্টা কমিটি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদেরকে মসজিদ কমিটির সভাপতি মন্টু মেম্বার বলেন, দেড় বছর মেয়াদী কমিটির আরো প্রায় ৩ মাস মেয়াদ রয়েছে। আর মসজিদের উপদেষ্টা কমিটি গঠন সর্ম্পকে আমরা মসজিদ কমিটির সভাপতি-সেক্রেচারী যারা রয়েছি তারা কেউ জানিনা অথচ ৪২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মাত্র ৩ জন তাদের মনমতো ব্যক্তিদের দিয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে কিভাবে? রুহুল আমিন শিকদার ফতুল্লা ইউপির বাসিন্দা আর যাদেরকে উপদেষ্টা কমিটিতে নিযুক্ত করেছেন তারা বেশীরভাগই অত্র ইউপির বাহিরের বাসিন্দা। তাছাড়া তাদের মনমতো উপদেষ্টা কমিটিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার জেলখাটা ব্যক্তি এবং আওয়ামী দোসরকেও যুক্ত করেছেন। পাশাপাশি সে নিজেও সেই কমিটির ৩ নং উপদেষ্টা বনে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলেও দেখেছি শ্রমিক নেতা কাউসার আহমেদ আহমেদ পলাশও রাজনৈতিক প্রভাবে অত্র মসজিদের কমিটি দিয়েছিলেন। এখন তারা নতুনভাবে শুরু করেছেন। আমরাতো মসজিদকে রাজনীতির মাঝে আনতে চাইনা। মসজিদ হবে এলাকাবাসীর জন্য ইবাদতের অন্যতম জায়গা। তিনি বলেন,মসজিদ কমিটির মেয়াদ যেহেতু কয়েকমাস রয়েছে তাহলে হঠাৎ কি কারনে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হলো কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারীসহ অধিকাংশ সদস্যদের না জানিয়ে। হঠাৎ মাদবর বনে যাওয়া রুহুল আমিন শিকদার কে? যিনি অত্র মসজিদের উপদেষ্টা গঠন করার ?
তবে হঠাৎ করে মসজিদের উপদেষ্টা কমিটি গঠন নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদের আগত মুসুল্লিদের মাঝে যে ক্ষোভের সঞ্চার দেখা দিয়েছে তা নিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে অভিমত স্থানীয়দের। বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় এমপি এবং জেলা প্রশাসকের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছে শেহাচর তক্কারমাঠ এলাকার ধর্মপ্রান মুসলমানরা।




